তুরস্কের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়াতে চুক্তির খসড়া পাস

আপডেট : ১৭ নভেম্বর ২০২০, ১২:০১ এএম

তুরস্কের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে ও পণ্যের চোরাচালান প্রতিরোধে তথ্য আদান-প্রদানে চুক্তির খসড়া প্রস্তাবের অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

এ চুক্তি না হওয়ার ফলে বাংলাদেশের অনেকগুলো পণ্য তুরস্কে ঢুকতে পারছে না। এখন সেটা সহজ হবে। এই চুক্তির নাম দেওয়া হয়েছে ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন কো-অপারেশন অ্যান্ড মিউচুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্স ইন কাস্টমস ম্যাটারস’। গতকাল সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। গণভবন প্রান্ত থেকে প্রধানমন্ত্রী এবং সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে মন্ত্রীরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে যোগ দেন। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম প্রেস ব্রিফিংয়ে এই অনুমোদনের কথা জানান।

খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন এই চুক্তি না হওয়ার ফলে আমাদের অনেকগুলো আইটেম তুরস্কে ঢুকতে পারছে না। তুরস্কে আমাদের রপ্তানি কমে গেছে। এটা যখন আমরা তাদের সঙ্গে পয়েন্ট আউট করলাম, তারা চুক্তিটা সম্পূর্ণ করতে বলল। চুক্তিটা হলে আমরা আইটেম দেখে বুঝতে পারব কোন আইটেমগুলো আমাদের এখানে সাবস্টিটিউট আর কোন আইটেমগুলো কমপ্লিমেন্টারি। তুরস্কের যে কমপ্লিমেন্টারি আইটেম আসবে সেগুলোকে আমরা অনেক বেনিফিট দিয়ে দেব। সে ক্ষেত্রে আবার হয়তো বেড়ে যাবে। যেগুলো সাবস্টিটিউট আইটেম সেগুলোতে আমরা খুব একটা সুবিধা দিতে পারব না।’ মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘তাই যতক্ষণ পর্যন্ত চুক্তি না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা সেই বেনিফিট পাব না। তুরস্কে গত দুই-তিন বছরে আমাদের ১০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি রপ্তানি কমে গেছে।’

খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘চুক্তি হলে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বৃদ্ধি পাবে। দুই দেশের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগটা সুসংহত হবে। আর পণ্যের অবৈধ বাণিজ্য ও চোরাচালান প্রতিরোধে এক দেশ আরেক দেশকে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারব। দুই দেশেরই অর্থনীতি, জনস্বার্থ ও অন্যান্য স্বার্থ কার্যকর হবে। কারণ যেগুলো আমাদের প্রয়োজন আমরা তুরস্ক থেকে আনতে পারব। তুরস্কেরও যেগুলো কমপ্লিমেন্টারি দরকার তারা প্রিফারেন্স দিয়ে নিতে পারবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘দুই দেশের আর্থিক গোয়েন্দা কার্যক্রমেও একজন আরেকজনকে সহায়তা করবে। আর কাস্টমসের উন্নয়নের জন্য পারস্পরিক সহযোগিতা, বিশেষ করে তুরস্কের যে কাস্টমস ফ্যাসিলিটিজ আছে, সেটা দেখে যদি আমাদের কাজে লাগে আমরা সেখানে কো-অপারেশন দিয়ে আমাদের কাস্টমসকে ইমপ্রুভ করতে পারি।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত