বাজার দরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বেতন-ভাতা চান তৃতীয় শ্রেণির সরকারি কর্মচারীরা

আপডেট : ১০ ডিসেম্বর ২০২০, ০৫:৫৩ পিএম

বাজার দরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ৪০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতার পাশাপাশি স্থায়ী বেতন কমিশনের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ তৃতীয় শ্রেণি সরকারি কর্মচারী সমিতি।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর সেগুন বাগিচায় ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন এসব দাবি করেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে সমিতির সভাপতি ইব্রাহিম খলিল লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।

এ সময় সমিতির মহাসচিব মো. ওবায়দুল হকসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, সরকার ২০১৫ সালে ৮ম জাতীয় বেতন স্কেল কার্যকর করে। কিন্তু পরে কয়েক দফা গ্যাস, বিদ্যুৎসহ অন্যান্য পরিষেবার মূল্য বৃদ্ধি করা হয়। এমনকি জীবন রক্ষাকারী ওষুধসহ নিত্যপণের সব সামগ্রীর মূল্য বৃদ্ধি হয়েছে। এর ফলে স্বল্প আয়ের কর্মচারীরা কঠিন অর্থনৈতিক সংকটে নিমজ্জিত এবং পরিবার নিয়ে নিরুপায়। এ অবস্থার উত্তরণে নতুন জাতীয় বেতন কমিশন গঠন এবং কর্মচারীদের কাছে গ্রহণযোগ্য একটি বেতন কাঠামো প্রয়োজন যা উচ্চতর-নিম্নতর পদের বেতন বৈষম্য কমিয়ে আনবে।

এ সময় সমিতির সভাপতি ইব্রাহিম খলিল ৯ দফা দাবি পেশ করেন।

তার উত্থাপিত দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, বর্তমান বাজার দরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ৪০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা প্রদান, অবিলম্বে স্থায়ী বেতন কমিশন গঠন, বৈষম্য নিরসনে অধিদপ্তর, পরিদপ্তর, দপ্তর প্রতিষ্ঠানের প্রধান সহকারী, উচ্চমান সহকারী এবং সমপদের কর্মচারীদের সচিবালয়ের অনুরূপ দ্বিতীয় শ্রেণির বেতন স্কেল প্রদান এবং পদোন্নতির ব্যবস্থা করা।

এ ছাড়া ১১-২০ গ্রেডের জনবলের বিদ্যমান বেতন বৈষম্য নিরসনকল্পে ও বেতন কাঠামো অধিকতর সুবিন্যস্ত করার লক্ষ্যে গ্রেড কমিয়ে ৫টিতে রূপান্তর করা, নন গেজেটেড কর্মচারীদের এক ও অভিন্ন নিয়োগ বিধি প্রবর্তন ও একই পদ এবং কাজে ভিন্ন ভিন্ন স্কেল বাতিল করা, ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত কর্মচারীদের তফসিলভুক্ত করে ঝুঁকি ভাতা প্রদান এবং আইএলও কনভেনশন অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের ট্রেড ইউনিয়ন অধিকার প্রদান।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত