টিকার নাম নিয়ে আইনি জটিলতায় সেরাম ইনস্টিটিউট

আপডেট : ০৭ জানুয়ারি ২০২১, ১০:৩২ এএম

ড্রাগস কন্ট্রোলার জেনারেল অব ইন্ডিয়া (ডিসিজিআই) ইতিমধ্যে কোভিশিল্ড ও কোভ্যাকসিন নামের করোনার দুই টিকাকে ছাড়পত্র দিয়েছে। জোরকদমে গণ-টিকাদানের তোড়জোড় চলছে। কিন্তু সেই প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার আগেই আইনি জটিলতায় পড়ল সেরাম ইনস্টিটিউটের কোভিশিল্ড।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, নামের স্বত্ব বা ট্রেডমার্কের দাবিতে কোভিশিল্ড প্রস্তুতকারক সংস্থা সেরাম ইনস্টিটিউটের বিরুদ্ধে সোমবার মামলা দায়ের করেছে মহারাষ্ট্রের একটি সংস্থা। তারই ভিত্তিতে মঙ্গলবার প্রতিষ্ঠানটিকে নোটিশ পাঠিয়েছে পুণের এক আদালত।

কিউটিস-বায়োটেক নামে মামলাকারী ওই সংস্থার দাবি, গত বছর থেকে কোভিশিল্ড নামে বিভিন্ন ধরনের জীবাণুনাশক স্প্রে, স্যানিটাইজার, আনাজ ও ফল জীবাণুমুক্ত করার রাসায়নিক বিক্রি করছে তারা। অন্য দিকে সেরামের তৈরি করোনা ভ্যাকসিন এখনো বাজারে আসেনি। তাই তাদের উচিত, কোভিশিল্ড ছাড়া অন্য যেকোনো নাম বেছে নেওয়া। তা না-হলে কিউটিস-বায়োটেকের ব্যবসায় ক্ষতি হতে পারে।

আদালতে মামলাকারী সংস্থা জানায়, কোভিশিল্ড নামের ট্রেডমার্ক পেতে গত বছর ২৯ এপ্রিল আবেদন করে তারা। সেই প্রক্রিয়া এখনো সম্পূর্ণ হয়নি। ফলে তারা এখনো অনুমোদন পায়নি। তবে ৩০ মে থেকে কোভিশিল্ড নামে বাজারে নানা জিনিস বিক্রি করছে তারা।

এই পরিস্থিতিতে সংস্থার দাবি, কোভিশিল্ড নামটির ব্যবহারে সেরামের ওপরে স্থগিতাদেশ দিক আদালত।

কিউটিস-বায়োটেক জানিয়েছে, তারা চায় সিরামের ভ্যাকসিন দ্রুত বাজারে আসুক। কিন্তু একই নামে নয়।

কোভিশিল্ডের পাশাপাশি কোভিডরোটেক্ট, কোভি-ভ্যাক, কোভিড-ভ্যাক, কোভি-ভ্যাক্স ইত্যাদি একাধিক নামে ভ্যাকসিনের ট্রেডমার্কের পেতে আবেদন জানিয়েছিল সেরাম ইনস্টিটিউট। তার মধ্যে থেকেই অন্য কিছু যেন বেছে নেওয়া হয়, সেই দাবিই জানিয়েছে তারা। এই আবেদনের ভিত্তিতে জবাব তলব করে সেরামকে নোটিশ পাঠিয়েছে আদালত। পরবর্তী শুনানি ১৯ জানুয়ারি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত