চট্টগ্রাম বন্দরে কাগজের চালানে মিলল বিদেশি সিগারেট

আপডেট : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৩:৩৮ এএম

চট্টগ্রাম বন্দরে কাগজের ঘোষণায় আনা আমদানি পণ্যের একটি চালানে পাওয়া গেছে বিদেশি সিগারেট। তদারকি সংস্থার লোকজনকে বিভ্রান্ত করতে কন্টেইনারের ভেতরে কাগজের আড়ালে লুকিয়ে এসব সিগারেট আনা হয়। কায়িক পরীক্ষার মাধ্যমে জালিয়াতির এ ঘটনা উদঘাটন করেছে কাস্টমস।

কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান, সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে এ-ফোর সাইজের কাগজ ঘোষণায় এক কন্টেইনার পণ্য আমদানি করে চট্টগ্রামের রিয়াজ উদ্দিন বাজারের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান করিম ট্রেডিং। চালানটি খালাসের জন্য আমদানিকারকের পক্ষে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট সুরমা এন্টারপ্রাইজ ৪ ফেব্রুয়ারি কাস্টমসের সংশ্লিষ্ট শাখায় কাগজপত্র দাখিল করে। চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজের অডিট ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড রিসার্চ (এআইআর) টিম ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার আওতায় ওই সময় আমদানি পণ্যের বিল অব এন্ট্রি এসাইকুডা ওয়ার্ল্ড সিস্টেমে লক করে দেয়। ১৪ ফেব্রুয়ারি পণ্যের চালানটি পরীক্ষা করতে গিয়ে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের লোকজনের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় পুরো চালানটি কায়িক পরীক্ষার সিদ্ধান্ত হয়।

কায়িক পরীক্ষায় দেখা যায়, ৪৮টি কার্টনের মধ্যে ৩৬টিতে ওপরে কাগজ দিয়ে ভেতরে সিগারেটের কার্টন লুকানো। গত রবিবার রাত ২টায় পুরো চালানের কায়িক পরীক্ষার পর এতে ২৩ হাজার কার্টন বিদেশি ইজি ও মন্ড ব্র্যান্ডের সিগারেট পাওয়া যায়।

কাস্টমসের এআইআর শাখার সহকারী কমিশনার রেজাউল করিম দেশ রূপান্তরকে বলেন, মিথ্যা ঘোষণা আমদানি করা এ চালানের মাধ্যমে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ১১ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা করেছে। এ ব্যাপারে কাস্টমস আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত