চট্টগ্রাম কারাগার থেকে হাজতি ‘নিখোঁজ’

আপডেট : ০৮ মার্চ ২০২১, ০২:৪৯ এএম

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে হাজতি নিখোঁজের ঘটনায় জেলার ও ডেপুটি জেলারকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ ছাড়া এ ঘটনায় থানায় মামলা করার পাশাপাশি দুই কারারক্ষীকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে কারা কর্তৃপক্ষ।

গত শনিবার সকালে কোতোয়ালি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার পর রাতেই কারা কর্তৃপক্ষ মামলাটি করে।

গতকাল রবিবার দুপুরে চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপকারা মহাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজন) এ কে এম ফজলুল হক বলেন, আইজি প্রিজনের আদেশে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মো. রফিকুল ইসলাম ও ডেপুটি জেলার মোহাম্মদ আবু সাদতকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। জেলারকে কারা অধিদপ্তরে এবং ডেপুটি জেলারকে চট্টগ্রাম রেঞ্জে সংযুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মো. নাজিম উদ্দিন ও মো. ইউনুস নামে দুই কারারক্ষীকে সাময়িক বরখাস্ত করার পাশাপাশি কামাল হায়দার নামে এক কারারক্ষীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ঘটনাটি তদন্তে গঠন করা হয়েছে তিন সদস্যের একটি কমিটি। এই তদন্ত কমিটিতে খুলনা বিভাগের কারা উপমহাপরিদর্শক ছগির মিয়াকে প্রধান করা হয়েছে। কমিটির অন্য দুজন হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারের সুপার ইকবাল হোসেন ও বান্দরবান জেলা কারাগারের ডেপুটি জেলার ফোরকান ওয়াহিদ। কমিটিকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে কোতোয়ালি থানার ওসি নেজাম উদ্দিন জানান, চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে হাজতি নিখোঁজের ঘটনায় শনিবার রাতে মামলা করেন। হাজতি ফরহাদ কারাগারের কর্ণফুলী ভবনের পঞ্চম তলার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে ছিলেন এবং শনিবার ভোর সোয়া ৫টা থেকে সাড়ে ৬টার মধ্যে তিনি ওয়ার্ড থেকে বের হয়ে যান বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

নিখোঁজ হাজতি মো. ফরহাদ হোসেন রুবেল নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলার মীরেরকান্দি গ্রামের শুক্কুর আলী ভান্ডারীর ছেলে। ফরহাদ নগরীর সদরঘাট থানার হত্যা মামলার আসামি। এ ঘটনায় ৮ ফেব্রুয়ারি ডবলমুরিং থানার মিস্ত্রিপাড়া থেকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে তিনি কারাগারে ছিলেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত