করোনার ঊর্ধ্বগতির মধ্যে বিজিএমইএ’র নির্বাচন আজ

আপডেট : ০৪ এপ্রিল ২০২১, ০২:০৬ এএম

করোনাভাইরাস মহামারীর ব্যাপক বিস্তারের মধ্যেই তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আজ রবিবার। রাজধানীর হোটেল রেডিসন ব্লু হোটেলে সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং চট্টগ্রামের বিজিএমইএর নিজস্ব কার্যালয়ে সকাল ১০টা থেকে ৫টা পর্যন্ত এই ভোটগ্রহণ হবে। নেতৃত্ব বাছাই করতে সংগঠনটির দুই হাজারের বেশি সদস্য তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। সম্মিলত পরিষদ ও ফোরাম প্যানেল থেকে ৩৫ পরিচালক পদে দ্বিবার্ষিক এ নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন ৭০ জন। করোনাকালের এই ভোটে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে নির্বাচনী বোর্ড।

বিজিএমইএর তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার ২ হাজার ৩১৪ জন। এদের মধ্যে ঢাকা অঞ্চল থেকে ১ হাজার ৮৫৩ জন এবং চট্টগ্রাম অঞ্চল থেকে ৪৬১ জন। ভোটাররা ঢাকা অঞ্চল থেকে ২৭ জন এবং চট্টগ্রাম থেকে ৮ জন পরিচালক নির্বাচন করবেন। পরিচালকরা ১ জন সভাপতি, ঢাকা থেকে ৫ জন সহসভাপতি এবং চট্টগ্রাম থেকে ২ জন সহসভাপতি নির্বাচিত করবেন। আগামী ২০ এপ্রিল নতুন পর্ষদ দায়িত্বভার গ্রহণ করবে।

সম্মিলিত পরিষদের সভাপতি প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন জায়ান্ট গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বিজিএমইএর সাবেক সহসভাপতি ফারুক হাসান এবং ফোরামের সভাপতি প্রার্থী হান্নান গ্রুপের চেয়ারম্যান ও বিজিএমইএর সাবেক সহসভাপতি এ বি এম সামছুদ্দিন। বিজিএমইএ এখন পর্যন্ত ১৪ বারে ১৩ জন সভাপতি পেয়েছে। এদের মধ্যে সম্মিলিত পরিষদ ৯ বার এবং ফোরাম ৪ বার জয় পায়।

এদিকে করোনার মধ্যে এবারের নির্বাচন হতে যাওয়ায় সতর্ক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের পরিচালক সাইয়েদ ফারহাত আনোয়ারের নেতৃত্ব গঠিত নির্বাচনী বোর্ড। নির্বাচন পরিচালনা বোর্ডের সদস্য হাবিবুল্লাহ এন করিম দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মেনেই ভোটারদের ভোট দিতে হবে। ভোটের দিন কাউকে ভোট চাইতে হলে সামাজিক দূরত্ব মেনেই ভোট চাইতে হবে। সরকারের যে ১৮ নির্দেশনা আছে সেগুলো নিশ্চিতে আমরা বদ্ধপরিকর।’

গত ১৮ বছর ধরে বাংলাদেশের ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর নির্বাচন ফলো করছেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক রেফায়েত উল্লাহ মৃধা। তিনি দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘অন্য সংগঠনগুলোর চেয়ে বিজিএমইএ ও এর নির্বাচন বেশি গুরুত্ব বহন করে। কারণ, মোট রপ্তানি আয়ের ৮৪ শতাংশই আসে এই খাত থেকে। বেসরকারি খাতে সবচেয়ে বেশি কর্মসংস্থানও এখানে। সুতরাং প্রতিদ্বন্দ্বতাপূর্ণ নির্বাচনের প্রতিনিধিদের দায়বদ্ধতা এখানে বেশি থাকে। করোনার কারণে এবার যারা নির্বাচিত হবেন তাদের জন্য চ্যালেঞ্জও বেশি। করোনার বর্তমান ধাক্কা সামলানো, করোনা পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ও আগামী ২০ বছর পর অবস্থা কোথায় যাবে এসব নিয়ে এখনই ভাবতে হবে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত