করোনায় সংগীত পরিচালক ফরিদ আহমেদের মৃত্যু

আপডেট : ১৪ এপ্রিল ২০২১, ০১:৪১ এএম

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়া সংগীত পরিচালক ফরিদ আহমেদ (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। গতকাল মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।বিকেলে জানাজা শেষে মিরপুরের বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

করোনা শনাক্তের পর গত ২৫ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে ফরিদ আহমেদকে ভর্তি করা হয় বলে জানান তার মেয়ে দূর্দানা ফরিদ। অবস্থার অবনতি হলে গত রবিবার তাকে স্কয়ার হাসপাতালের লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। সেখানেই গতকাল তার মৃত্যু হয়।

দূর্দানা ফরিদ আরও জানান, দু’দফা পরীক্ষায় তার বাবার করোনা নেগেটিভ আসে। তৃতীয় দফায় পজিটিভ আসার পরপরই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। করোনায় ডায়াবেটিসে আক্রান্ত বাবার ফুসফুস সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। শনাক্তের সময়ই তার ফুসফুসের ৬০ শতাংশ সংক্রমিত হয়েছিল।

ফিরোজ সাঁইয়ের হাত ধরে ‘স্পন্দন’-এর মধ্য দিয়ে সংগীতে আনুষ্ঠানিকভাবে পথচলা শুরু করেন ফরিদ আহমদে। ব্যান্ডে শুরুতে গিটার বাজালেও পরে তিনি সংগীত পরিচালনায় মনোনিবেশ করেন। নূর হোসেন বলাইয়ের ‘নিষ্পত্তি’ ছবির মধ্য দিয়ে সংগীত পরিচালক হিসেবে অভিষেক হয় তার। এরপর বহু চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন তিনি।

হানিফ সংকেতের উপস্থাপনা ও পরিচালনায় জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদির’ টাইটেল সং ‘কেউ কেউ অবিরাম চুপি চুপি’র সুরকার ফরিদ আহমেদ। এ ছাড়া কুমার বিশ্বজিতের কণ্ঠে ‘তুমি ছাড়া আমি যেন মরুভূমি’, ‘মনেরই রাগ অনুরাগ’, রুনা লায়লার কণ্ঠে ‘ফেরারি সাইরেন’, রুনা লায়লা ও সাবিনা ইয়াসমীনের কণ্ঠে ‘দলছুট প্রজাপতি’, রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার কণ্ঠে ‘তুমি আমার জীবনের গহিনে’সহ অসংখ্য শ্রোতাপ্রিয় গানে সুর করেছেন তিনি। ২০১৭ সালে ‘তুমি রবে নীরবে’ চলচ্চিত্রের সংগীত পরিচালনার জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান ফরিদ আহমেদ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত