ঢাবি ঘ ইউনিট হল সমন্বিত ইউনিট অর্থাৎ এই ইউনিটে সব বিভাগের শিক্ষার্থীরা ভর্তি পরীক্ষা দিতে পারে। তাই এই ইউনিটের প্রতিযোগিতা সবচেয়ে বেশি। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবারের ঘ ইউনিটের ভর্তি সিলেবাস, পরীক্ষার ধরন, প্রশ্নের প্যাটার্ন ভিন্ন রকম। তাই এবারের ঘ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের আগে খুঁটিনাটি তথ্য জানা থাকলে প্রস্তুতি নিতে সুবিধা হবে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাবলি
ভর্তি পরীক্ষার তারিখ : ২৮ মে ২০২১ (শুক্রবার)
ভর্তি পরীক্ষার সময় : সকাল ১১:০০ থেকে ১২:৩০ মি. পর্যন্ত
অনুষদ : ১১টি
বিভাগ : ৫৫টি
মোট আসন : ১৫৭০টি
ঘ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার মানবণ্টন
ভর্তি পরীক্ষার মোট নম্বর : ১০০। এমসিকিউ ৬০ নম্বর। যেখানে প্রতিটি প্রশ্নের মান ১ এবং প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে। সময় ৪৫ মিনিট। লিখিত পরীক্ষা ৪০ নম্বরের হবে এবং সময় থাকবে ৪৫ মিনিট।
বহুনির্বাচনী প্রশ্নের মানবণ্টন
বাংলা/Advanced English, ইংরেজি বিষয়ে ১৫টি করে এবং সাধারণ জ্ঞান বিষয়ে ৩০টি এমসিকিউ থাকবে। যারা এ-লেভেল পাস করেছে কেবল তারাই Advanced English উত্তর দেবে।
লিখিত পরীক্ষার মানবণ্টন
বাংলা/Advanced English, ইংরেজি বিষয়ে ১৫ নম্বর এবং সাধারণ জ্ঞান বিষয়ে ১০ নম্বরের প্রশ্ন থাকবে। যারা এ-লেভেল পাস করেছে তারা বাংলার পরিবর্তে Advanced English উত্তর দেবে।
ঢাবি ঘ ইউনিট পাস নম্বর
এমসিকিউ পরীক্ষায় বাংলায়/অফাধহপব ঊহমষরংয ন্যূনতম ৫ নম্বর, ইংরেজি ন্যূনতম ৫ নম্বর, সাধারণ জ্ঞানে ন্যূনতম ১০ নম্বর এবং সর্বমোট ২৪ নম্বর পেলে উত্তীর্ণ বলে বিবেচিত হবে। এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্যে প্রাপ্ত নম্বরের ক্রম অনুযায়ী প্রত্যেক শাখার (বিজ্ঞান, ব্যবসায় ও মানবিক শাখার) মোট আসনসংখ্যার কমপক্ষে পাঁচ (৫) গুণ লিখিত উত্তরপত্র মূল্যায়ন করা হবে।
লিখিত পরীক্ষার অংশে ন্যূনতম ১০ নম্বর পেতে হবে। এমসিকিউ ও লিখিত উভয়পরীক্ষা মিলিয়ে সর্বমোট পাস নম্বর ৪০ হবে।
মেধাতালিকা
মোট ১২০ নম্বরের মেধাস্কোর তৈরি করা হবে। মাধ্যমিক/সমমান ও উচ্চ মাধ্যমিক/সমমানের পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ ১০ + ১০ = ২০ নম্বর ভর্তি পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের সঙ্গে যোগ করা হবে। সে ক্ষেত্রে ছাত্র/ছাত্রীদের মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএকে (৪র্থ বিষয়সহ) ২ দিয়ে এবং উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ-কে (৪র্থ বিষয়সহ) ২ দিয়ে গুণ করে ভর্তি পরীক্ষার প্রাপ্ত নম্বরের সঙ্গে যোগ করা হবে।
