দেশের দরিদ্র রোগীদের ব্যয় সাশ্রয়ে সামর্থ্যবানদের জাকাতের টাকা দান করার আহ্বান জানিয়েছে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের।
বুধবার গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের মিডিয়া উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানানো হয়।
এতে বলা হয়, বিকল কিডনি রোগের রোগীদের বেঁচে থাকার একমাত্র চিকিৎসা হলো ডায়ালাইসিস। কিডনি রোগে আক্রান্তদের বেশির ভাগেরই অন্য যে কোন অসংক্রামক রোগ থাকতে পারে। কিডনি রোগের চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল।
রোগীদের ডায়ালাইসিস ছাড়াও অন্যান্য চিকিৎসা খরচ, ওষুধ, যাতায়াত, বিশেষ খাবার ইত্যাদি খরচ বহন করতে হয়। রোগীর আর্থিক অবস্থা যেমনই হোক না কেন, এই সকল রোগীরা চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে ধীরে ধীরে দরিদ্র থেকে দরিদ্রতর হতে থাকে। একপর্যায়ে অনেকে অর্থের অভাবে ডায়ালাইসিস বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়।
এতে আরও বলা হয়, ডায়ালাইসিস সেবা ব্যয়বহুল। করোনা মহামারি এই খরচ আরও অনেকগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। পয়লা বৈশাখ থেকে ডায়ালাইসিসের চার্জ কমানোর পরও বিকল কিডনি রোগের রোগীরা শুধুমাত্র টাকার অভাবে নিয়মিত ডায়ালাইসিস করাতে পারছে না। বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ডায়ালাইসিস সেন্টার 'গণস্বাস্থ্য ডায়ালাইসিস সেন্টার' সমাজের অবস্থাসম্পন্ন ব্যক্তিদের সহায়তায় প্রতিদিন গড়ে ৩০০ জন বিকল কিডনি রোগীর নামমাত্র মূল্যে গুণগত মানের সেবা নিশ্চিত করতে চেষ্টা করে যাচ্ছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গণস্বাস্থ্য ডায়ালাইসিস সেন্টার, গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতাল, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র জনহিতকর দাতব্য ট্রাস্টের একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। করোনা মহামারি মোকাবিলায় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র সম্প্রতি ৫ শয্যার আইসোলেশন নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্র (ICU), ২০ শয্যায় করোনা ওয়ার্ড, ৮ শয্যার আইসোলেশন ওয়ার্ড এবং ৮ শয্যার নন কোভিড (ICU) চালু করেছে। এছাড়াও নিয়মিত প্লাজমা তৈরি করে সরবরাহ করা হয় এবং করোনা রোগ নির্ণয়ের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে এমতাবস্থায় সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, আপনাদের সাহায্য প্রয়োজন, যারা সামর্থ্যবান দেশ-বিদেশে বসবাস করেন তারা দান করুন, জাকাত দিন। সকল দান আয়কর মুক্ত।
