রাশিয়ার বিরোধী দলীয় নেতা আলেক্সেই নাভালনি অনশনে থাকার কারণে কারাগারে মারা গেলে ভ্লাদিমির পুতিন এবং রাশিয়ান কর্মকর্তাদের দায়ী করার হুশিয়ারি দিয়েছে ফ্রান্স।
ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বৃহস্পতিবার বলেছেন, নাভালনির কিছু হলে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন থেকে নিষেধাজ্ঞার কথাও ভাবা হবে।
গত বছরের ২০ আগস্ট সাইবেরিয়ার শহর তমস্ক থেকে রাজধানী মস্কোতে ফিরে আসার সময় বিমানের মধ্যে নাভালনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে জানা যায়, তার শরীরে বিষ প্রয়োগ করা হয়েছে।
নাভালনিকে পরে জার্মানিতে চিকিৎসা দেয়। সেখান থেকে দেশে ফিরতেই গ্রেপ্তার হন। কারাগারে তিনি অনশন করছেন।
নাভালনির চিকিৎসকেরা বলছেন, তার কিডনি বিকল হয়ে যেতে পারে অথবা কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হতে পারে।
ফ্রান্স বলছে, ‘নাভালনির ওপর আক্রমণ সহ্য করা যায় না। আমরা প্রয়োজনীয় অবরোধের ব্যবস্থা নেব। এর জন্য দায়ী থাকবেন মিস্টার পুতিন এবং তার কর্মকর্তারা।’
নাভালনকি ছাড়িয়ে নিতে তার সমর্থকরাও প্রতিবাদ কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছে। বুধবারও দেশটিতে বিক্ষোভ করেছে তার সমর্থকরা। তবে পুতিন প্রশাসন এখনো এই রাজনীতিবিদকে মুক্তির বা নিজের পছন্দ মতো চিকিৎসা করানোর কোনো সুযোগ দেয়ার কথা জানায়নি।
নাভালনির স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলও। কাউন্সিল ফর ইউরোপের সঙ্গে এক ভিডিও বৈঠকে তিনি বলেন, ‘জার্মানি চেষ্টা করছে যাতে নাভালনি উপযুক্ত চিকিৎসা সেবা পান।’
এর আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, কারাগারে যদি নাভালনির মৃত্যু হয় তাহলে রাশিয়াকে কঠোর পরিণাম ভোগ করতে হবে।
