মাঠের লড়াইয়ে অনেক কোচই হয়তো লিওনেল মেসিকে প্রতিপক্ষ হিসেবে পেতে চাইবেন না। কিন্তু গ্রাহাম আরনল্ড সে দলের লোক নন। অস্ট্রেলিয়া জাতীয় ফুটবল দলের কোচের চাওয়া, টোকিও অলিম্পিকে আর্জেন্টিনা যেন মেসিকে নিয়েই দল সাজায়।
টোকিও অলিম্পিকের বুধবার পুরুষ ফুটবলের ড্রয়ে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে ‘সি’ গ্রুপে আছে দুইবারের সোনাজয়ী আর্জেন্টিনা, ১৯৯২ সালের সোনাজয়ী স্পেন আর মিসর। ১৬ দলের এবারের প্রতিযোগিতায় গ্রুপ পর্বেই কঠিন পরীক্ষা অপেক্ষা করছে অস্ট্রেলিয়ার সামনে। কোচ আরনল্ড অবশ্য নিজেদের গ্রুপকে ‘মৃত্যুকূপ’ বলতে রাজি নন; বরং বলছেন ‘স্বপ্নের গ্রুপ’। ‘গ্রুপটাকে ‘মৃত্যুকূপ’ না বলি। এটা স্বপ্নের গ্রুপ। বিশ্ব ফুটবলে এ ধরনের প্রতিযোগিতায় সবাই এমন গ্রুপই দেখতে চায়। খেলোয়াড়রাও এই ধরনের গ্রুপে খেলতে চায়।’
২০০৮ সালের পেইচিং অলিম্পিকে আর্জেন্টিনার সোনা জয়ের সঙ্গী ছিলেন মেসি। অস্ট্রেলিয়া কোচের আশা, এবারও তারকা এই ফরোয়ার্ডকে নিয়ে খেলতে আসবে তার দল, ‘ড্রয়ে এর চেয়ে বেশি খুশি আমি হতে পারতাম না। তরুণদের জন্য এই মঞ্চে নিজেদের মেলে ধরা এবং নিজেদের সামর্থ্য দেখানোর এটা দারুণ সুযোগ। আশা করি, আর্জেন্টিনা লিওনেল মেসিকে নিয়ে আসবে।’
অলিম্পিকে মূলত অনূর্ধ্ব-২৩ ফুটবল দল খেলে। তবে প্রতিটি দল ২৩-এর বেশি বয়সী তিন খেলোয়াড় খেলাতে পারে। বর্তমানে ৩৩ বছর বয়সী মেসির তাই ওই কোটায় আর্জেন্টিনার টোকিও অলিম্পিক দলে খেলার সুযোগ রয়েছে।
এবার পুরুষ ফুটবলে একই গ্রুপে পড়েছে গত গেমসের দুই ফাইনালিস্ট ব্রাজিল ও জার্মানি। ‘ডি’ গ্রুপে তাদের সঙ্গী আইভোরি কোস্ট ও সৌদি আরব। ‘এ’ গ্রুপে স্বাগতিক জাপানের সঙ্গে আছে ফ্রান্স, দক্ষিণ আফ্রিকা ও মেক্সিকো। ‘বি’ গ্রুপে আছে দক্ষিণ কোরিয়া, রুমানিয়া, নিউজিল্যান্ড ও হন্ডুরাস।
