কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পণ্যমূল্য সংগ্রহে নীতিমালা

আপডেট : ০৭ মে ২০২১, ০৭:০২ এএম

কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ই-কমার্সের পণ্য ডেলিভারির সময় নগদে মূল্য সংগ্রহ (ক্যাশ অন ডেলিভারি) করা হলে ওই অর্থ বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে। এ বিষয়ে সুস্পষ্ট নীতিমালা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস বিভাগ থেকে এ নীতিমালা জারি করা হয়। এতে বলা হয়, ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে পণ্যমূল্য বিক্রেতার কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে এই নীতিমালা জারি করা হয়। এছাড়া কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পণ্য ও অর্থ লেনদেন সেবা প্রযুক্তিনির্ভর করার উদ্দেশ্যে এই নীতিমালা জারি করা হয়।

নীতিমালায় বলা হয়, বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ক্রেতার কাছে পণ্য পাঠানোর জন্য কুরিয়ার সার্ভিসের স্থানীয় অফিস বা এজেন্টের কাছে ক্যাশ অন ডেলিভারি বা কন্ডিশন বুকিংয়ের শর্তে হস্তান্তর করবে। কুরিয়ার প্রতিষ্ঠান পণ্যের প্রেরক ও প্রাপকের নাম, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর, এনআইডি নম্বর, পণ্যের বিবরণ, পণ্যমূলসহ সব তথ্য কেন্দ্রীয় তথ্যভা-ারে লিপিবদ্ধ করবে। পণ্য ডেলিভারির সময় সংগৃহীত অর্থ পরবর্তীতে বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবে জমা করবে কুরিয়ার প্রতিষ্ঠান। নগদে এই অর্থ বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া যাবে না।

কুরিয়ার প্রতিষ্ঠানের আঞ্চলিক অফিস, ডেলিভারি ডিপো বা ডেলিভারি কর্মীর মাধ্যমে পণ্যের মূল্য কুরিয়ার প্রতিষ্ঠানের সেটেলমেন্ট ব্যাংক হিসাবে জমা করতে হবে। ওই হিসাব থেকে বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানের পাওনা টাকা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব, মোবাইল ব্যাংকিং হিসাব বা মোবাইল ওয়ালেটে স্থানান্তর করতে হবে।

তাছাড়া যেসব বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব নেই তাদের পণ্যমূল্য কুরিয়ার প্রতিষ্ঠান প্রথমে সেটেলমেন্ট ব্যাংক হিসাব থেকে ইনভয়েসের মাধ্যমে নগদে উত্তোলন করবে এবং পরে তা বিক্রেতাকে পৌঁছে দেবে। এক্ষেত্রে একক পণ্যমূল্য বাবদ ৫ হাজার টাকার বেশি নগদ উত্তোলন করা যাবে না।

সেটেলমেন্ট ব্যাংক হিসাবে জমা করা অর্থ থেকে কুরিয়ার ফি, বিক্রেতার টাকা গ্রহণ ও পৌঁছে দেওয়ার সার্ভিস চার্জ বাবদ অর্থ কুরিয়ার সার্ভিস প্রতিষ্ঠান নিজেদের ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করতে পারবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত