হিলি স্থলবন্দর

সপ্তাহ ব্যবধানে চাল কেজিতে কমল ৩ টাকা

আপডেট : ১০ মে ২০২১, ০৭:৩৭ এএম

বাজারে বোরো ধানের নতুন চাল আসতে শুরু করেছে। ফলে ভারত থেকে চাল আমদানি বন্ধের মধ্যেও সরবরাহ ব্যবস্থা ঠিক থাকায় দাম কমেছে। সপ্তাহ ব্যবধানে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে কেজিতে প্রকারভেদে চালের দাম সর্বোচ্চ ৩ টাকা কমেছে।

গতকাল রবিবার হিলি বাজারে শম্পা কাটারি ৫৩, মিনিকেট ৫৬, জিরা ৪৮, রতœা ৪৩ ও স্বর্ণা চাল ৪২ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। অথচ গত সপ্তাহে শম্পা কাটারি ৫৬, মিনিকেট ৫৮, জিরা ৫০, রতœা ৪৬ ও স্বর্ণা চাল ৪৪ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছিল।

সংশ্লিষ্টরা জানান, গত আমন মৌসুমে দেশের চালের বাজার অস্থিতিশীল হয়ে উঠলে নিম্ন-আয়ের মানুষেরা বিপাকে পড়েন। বাজার স্থিতিশীল রাখতে ভারত থেকে চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নেয় সরকার এবং আমদানি শুল্ক ৬২ দশমিক ৫ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশ করে। এরপর চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে চাল আমদানি শুরু হয়, যা সরকারি নির্দেশে গত ৩০ এপ্রিল থেকে বন্ধ রয়েছে।

আমদানি বন্ধের পরও চালের দাম বাড়েনি। কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, ইতিমধ্যে মাড়াই শেষে বাজারে বোরো ধানের চাল আসতে শুরু করেছে। হিলি বাজারে চাল কিনতে আসা ভ্যানচালক লুৎফর রহমান বলেন, ‘করোনায় সারা দিনে ৪০০ টাকা ইনকাম (আয়) করাই কঠিন। এর ওপর যেভাবে চালের দাম বাড়ছিল, চাল কিনে খাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। এখন নতুন চাল আসায় কেজিতে ২-৩ টাকা কমেছে। আরও কমলে আমাদের জন্য সুবিধা হতো।’

হিলি বাজারের চাল বিক্রেতা স্বপন কুমার ও সুব্রত কু-ু বলেন, ‘নতুন চাল আসায় আমদানিকারকরা গুদামে থাকা চাল কম দামে ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন। এতে বাজারে চালের সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় দাম কিছুটা কমে গেছে।’

হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন, ‘বন্দর দিয়ে জানুয়ারিতে ভারত থেকে গড়ে দিনে ৬০-৭০ ট্রাক চাল এসেছে। সরকারি নির্দেশে গত ৩০ এপ্রিল আমদানি বন্ধের আগ পর্যন্ত ১ লাখ ৭১ হাজার টন চাল এসেছে। আমদানিকারকরা বন্দরের ওয়ার হাউজ থেকে চাল খালাস করে নিজস্ব গুদামে নিয়ে গেছেন।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত