এ বছরও ঈদে সুনসান নীরব কমলগঞ্জের পর্যটন কেন্দ্রগুলো

আপডেট : ১৪ মে ২০২১, ১১:৪০ এএম

প্রতি বছর ঈদ উপলক্ষে মৌলভীবাজারের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে পর্যটকের ঢল নামে। কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে গত বছরের মতো এ বছরও সুনসান নীরব পর্যটন কেন্দ্রগুলো।

ইট-পাথরের বাইরে প্রকৃতির একটু ছোঁয়া পেতে পর্যটকরা প্রতি বছর ঈদের ছুটিতে ভিড় জমাতেন কমলগঞ্জের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, মাধবপুর লেক, হামহাম জলপ্রপাতসহ বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে।

ঈদের দিন ও পরের কয়েকদিন কয়েক হাজার পর্যটকের আগমনে মুখরিত হয়ে উঠতো গোটা উপজেলা।

তবে করোনাভাইরাসের কারণে গত বছরের মতো এ বছরও পর্যটনকেন্দ্রগুলো বন্ধ ঘোষণা করায় এবার রমজানের ঈদে পর্যটক শূন্য মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জসহ আশপাশের উপজেলাগুলো।

পর্যটন সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বিশেষ করে রমজানের ঈদে (ঈদুল ফিতর) প্রতি বছর মৌলভীবাজারে সবচেয়ে বেশি পর্যটক দেখা যায় কমলগঞ্জ উপজেলার লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, মাধবপুর লেক, হামহাম জলপ্রপাত, মনিপুরি পাড়ায়। জেলার বিভিন্ন চা-বাগান ও বাইক্কাবিল, বড়লেখার মাধবকুন্ড জলপ্রপাত. কুলাউড়ার কালাপাহাড়, হাকালুকি হাওরসহ শ্রীমঙ্গলের বিভিন্ন পর্যটন স্পটও ব্যাপক জনপ্রিয় ছিলো পর্যটকদের।

তাছাড়া করোনাভাইরাসের প্রভাবে পর্যটকের সংখ্যা শূন্য থাকায় হোটেল রিসোর্টগুলোর মালিকরাও গতবছর থেকে পুঁজি হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছেন।

কেননা এই পর্যটকদের ৯৫ শতাংশই থাকার জন্য বেছে নিতেন মৌলভীবাজার সদর, কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গলের প্রায় ৫০টি হোটেল রিসোর্টকে।

এসব হোটেল-রিসোর্ট প্রতি বছর ঈদের সময় কয়েক হাজার পর্যটক আগাম বুকিং দিয়ে রাখতেন। কিন্তু গতবছর থেকে পর্যটকের সংখ্যা শূন্য। রিসোর্ট বন্ধ থাকলেও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কর্মচারী রাখতে হচ্ছে। তাই পুঁজি ভেঙে বেতন দিতে হচ্ছে বলে জানান রিসোর্ট মালিকরা।

লাউয়াছড়ার ট্যুর গাইড সাজু মারচিয়াং দেশ রূপান্তরকে বলেন, ঈদের কয়েক মাস আগে থেকেই অনেকে ফোন দেন। কেউ কেউ অগ্রিম টাকা দিয়ে রাখেন। সব কাভার দেওয়া যায় না বলে তখন আমরা মৌসুমী মানুষ রাখি। কিন্তু গত বছর থেকে করোনার কারণে পর্যটন কেন্দ্রগুলো বন্ধ থাকায় দিন ভালো যাচ্ছে না।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত