‘ইয়াসে’র আঘাত দুপুরেই!

আপডেট : ২৬ মে ২০২১, ০১:৫৫ এএম

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’ বাংলাদেশ থেকে অনেকটাই দূরে সরে গিয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশা উপকূলের দিকে এগোচ্ছে। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে এটি আরও শক্তি সঞ্চয় করে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। এর আগে গতকাল সকালের দিকে এটি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়। তারও আগে গত সোমবার সকালের দিকে ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াসের’ সৃষ্টি হয়। গতকাল সন্ধ্যায় বাংলাদেশের মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ‘ইয়াসের’ অবস্থান ছিল ৩৯০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে। অন্যদিকে ওড়িশার পারাদ্বীপ থেকে তখন এর অবস্থান ছিল মাত্র ২০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে। ঘূর্ণিঝড়টি ওই সময় ঘণ্টায় ১৫ কিলোমিটার বেগে অগ্রসর হচ্ছিল। এটি উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হওয়ায় পারাদ্বীপসহ ওড়িশা ও পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য উপকূলীয় এলাকার সঙ্গে এর দূরত্ব ক্রমেই কমছে। ভারত ও বাংলাদেশ উভয় দেশের আবহাওয়া অধিদপ্তরই বলছে, অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’ আজ দুপুর নাগাদ স্থলভাবে আছড়ে পড়বে। উপকূলে আছড়ে পড়ার সময় এর সর্বোচ্চ গতিবেগ ১৮০ কিলোমিটার হতে পারে। এদিকে ‘ইয়াস’ বাংলাদেশ উপকূলে সরাসরি আঘাত না হানলেও এর প্রভাবে ব্যাপক ঝড়, বৃষ্টি এবং জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কা রয়েছে, যা গত বছর আঘাত হানা ‘আম্পানের’ প্রভাবের চেয়ে কম নয়। তাছাড়া পূর্ণিমার সময় হওয়ায় ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় জলোচ্ছ্বাসের পানির উচ্চতা সর্বোচ্চ ৬ ফুট পর্যন্ত হতে পারে বলে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে। এদিকে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াসের’ প্রভাবে দেশের প্রধান চারটি সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত জারি করা হয়েছে। এ সংকেত আর বাড়ার সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ গতকাল রাত ৯টার দিকে দেশ রূপান্তরকে বলেন, ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’ সন্ধ্যা ৬টার দিকে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। এ মাত্রার ঘূর্ণিঝড়ের গতি ১২২ থেকে সর্বোচ্চ ২২০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। এটি অতি প্রবল আকারেই ওড়িশা ও পশ্চিমবঙ্গ উপকূল অতিক্রম করতে পারে। উপকূল অতিক্রম করার সময় সর্বোচ্চ গতিবেগ ১৮০ কিলোমিটার থাকতে পারে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের অবস্থান অনেক দূরে হলেও উপকূল অতিক্রমের সময় উপকূলীয় এলাকাগুলোতে প্রায় ১০০ কিলোমিটার বেগে ঝড় ও বৃষ্টির শঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে উপকূলীয় এলাকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে। তবে ‘ইয়াসের’ প্রভাবে দেশের সমুদ্রবন্দরগুলোতে সতর্ক সংকেত আর বাড়ার সম্ভাবনা নেই বলে জানান তিনি।

গত বছর বাংলাদেশ উপকূলে আঘাত হানা সুপার সাইক্লোন ‘আম্পানের’ সঙ্গে তুলনা করতে গিয়ে বজলুর রশিদ বলেন, ‘আম্পান’ অনেক দুর্বল হয়ে উপকূল অতিক্রম করেছিল। সেই তুলনায় ‘ইয়াস’ আরও শক্তিশালীরূপে উপকূল অতিক্রম করতে পারে। এছাড়া পূর্ণিমা হওয়ায় আম্পানের তুলনায় জলোচ্ছ্বাসের পানির উচ্চতাও বেশি হতে পারে।

ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তরের গতকাল সন্ধ্যা ৬টার তথ্য অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি শেষ ছয় ঘণ্টা ধরে ঘণ্টায় ১৫ কিলোমিটার বেগে এগোচ্ছিল। এটি ওই সময় ওড়িশার পারাদ্বীপ থেকে ২০০ কিলোমিটার ও বালাসোরে থেকে ২৯০ কিলোমিটার এবং পশ্চিমবঙ্গের সাগরদ্বীপ থেকে ২৮০ কিলোমিটার ও দিঘা থেকে ২৯০ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থান করছিল। তাদের তখনকার পূর্বাভাস অনুযায়ী, প্রবল ঘূর্ণিঝড়টি ওই সময় থেকে পরবর্তী ছয় ঘণ্টায় অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার কথা। পরবর্তী সময়ে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় হিসেবেই বুধবার (আজ) দুপুর নাগাদ এটি পারাদ্বীপ, সাগরদ্বীপ ও বালাসোরে উপকূল অতিক্রম করতে পারে। তারপর আজ সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ এটি কিছুটা দুর্বল হয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে এবং আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) সকাল নাগাদ এটি আরও দুর্বল হয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের গতকাল সন্ধ্যার ১৩ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’ আরও উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘণীভূত হয়ে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। এটি সন্ধ্যা ৬টার সময় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৫৩৫ কিলোমিটার ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৫০৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৩৯০ কিলোমিটার ও পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৩৯০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল। অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়টি আরও উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ২৬ মে (আজ) দুপুর নাগাদ উত্তর ওড়িশা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূল অতিক্রম করতে পারে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার, যা দমকা বা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের কাছে সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

এদিকে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’ উপকূল অতিক্রমের সময় বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় ঝড়-বৃষ্টি ও জলোচ্ছ্বাসের সম্ভাবনা রয়েছে। অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঘূর্ণিঝড় অতিক্রমকালে খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, ভোলা, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর ও চট্টগ্রাম জেলা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহে ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণসহ ঘণ্টায় ৮০-১০০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। অন্যদিকে ঘূর্ণিঝড় ও পূর্ণিমার প্রভাবে এসব জেলার নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৩-৬ ফুট অধিক উচ্চতার জোয়ারে প্লাবিত হতে পারে।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে গতকাল থেকেই দেশজুড়ে বৃষ্টি ও মেঘাচ্ছন্ন আবহাওয়া বিরাজ করছে। অধিদপ্তরের দেশব্যাপী ৪৩টি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের মধ্যে দুয়েকটি ছাড়া প্রায় সবগুলোতে এদিন বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে রাজশাহী, চট্টগ্রাম, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগে। এদিন ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি ৭০ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড হয়েছে ঈশ্বরদীতে। রাজধানীতে এদিন ৩৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। তাপমাত্রা কমে গিয়ে ইতিমধ্যে অধিকাংশ এলাকা থেকে তাপপ্রবাহ কেটে গেছে। আজ সারা দেশেই ঝড়-বৃষ্টি আরও বাড়তে পারে এবং দিন ও রাতের তাপমাত্রা আরও কমে যেতে পারে বলে অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে। আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দেশের সব বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে খুলনা, বরিশাল ও রাজশাহী বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে। যেসব এলাকায় তাপপ্রবাহ রয়েছে, তা কেটে যেতে পারে এবং সারা দেশের দিন ও রাতের তাপমাত্রা ২-৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমে যেতে পারে।

উপকূলের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত : ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’র প্রভাবে গতকাল মঙ্গলবার থেকে বাংলাদেশের ১৪টি উপকূলীয় জেলা, চর ও দ্বীপ এলাকায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় এলাকায় স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি জোয়ার ও ঝড়ো বাতাস বয়ে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে খুলনা, সাতক্ষীরা, পটুয়াখালী, পিরোজপুর, ভোলা, বরগুনার নিচু এলাকা ও চরাঞ্চলে জোয়ারের পানি প্রবেশ করেছে। অনেক স্থানে বেড়িবাঁধ টপকে ও ভেঙে পানি ঢুকছে। সুন্দরবনের দুবলার চরসহ জেলেপল্লীগুলোর বেশিরভাগ তলিয়ে গেছে। উপকূলীয় এলাকার অধিবাসীরা নিরাপদ স্থানে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। স্থানীয় প্রশাসন এবং বেসরকারি সংস্থাগুলো এ বিষয়ে মাইকিং করছে।

বরগুনা : পূর্ণিমার জোয়ারে বরগুনার পায়রা, বিষখালী ও বলেশ্বর নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে বাঁধ ভেঙে ও উপচে অর্ধশতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় জেলায় ৬৪২টি আশ্রয়ণ কেন্দ্রসহ সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানান জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমান।

পটুয়াখালী : পটুয়াখালীর দুমকিতে পায়রা নদীর পানি বেড়ে তলিয়ে গেছে লেবুখালী ফেরিঘাটের গ্যাংওয়ে। এতে বরিশাল-পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কে চলাচলকারী বিভিন্ন পরিবহনের যাত্রীরা দুর্ভোগে পড়েছেন। ডুবে গেছে বাউফলের কয়েকটি নিম্নাঞ্চল। দুর্যোগ মোকাবিলায় ১৪৩টি সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানান বাউফল উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা রাজিব বিশ্বাস।

বাগেরহাট : বাগেরহাটের প্রধান নদনদীতে জোয়ারের পানি স্বাভাবিকের চেয়ে ২-৩ ফুট বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে উপকূলের বাঁধ উপচে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ৩৪৪টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রেখেছে জেলা প্রশাসন।

খুলনা : ইয়াসের প্রভাব ও পূর্ণিমার জোয়ারে খুলনার কয়রা উপকূলের নদনদীতে পানি বাড়ছে। এতে উপজেলার ১১৭ কিলোমিটার দুর্বল বেঁড়িবাধ ভেঙে বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্লাবিতের আশঙ্কা করছেন বাসিন্দারা। কয়রায় ১১৮টি আশ্রয়কেন্দ্র ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রস্তুত রাখা হয়েছে। দাকোপ, পাইকগাছাসহ নদীতীরবর্তী বেড়িবাঁধের বাইরে ও বাঁধের কাছাকাছির বাসিন্দাদের মধ্যে জলোচ্ছ্বাস আতঙ্ক বিরাজ করছে।

জেলা প্রশাসন ১ হাজার ৪৮টি আশ্রয়কেন্দ্র ও ১১৬টি মেডিকেল টিম প্রস্তুত রেখেছে বলে জানান জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আজিজুল হক জোয়ার্দ্দার।

বরিশাল : ইয়াস মোকাবিলায় বরিশাল বিভাগের সাইক্লোন শেল্টার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মিলে প্রায় ৫ হাজার প্রতিষ্ঠান প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এখানে প্রায় ২০ লাখ মানুষ ও কয়েক লাখ গবাদি পশু আশ্রয় নিতে পারবে।

শেরপুর : ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে শেরপুরের উপকূলীয় অঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টিপাত হচ্ছে। নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে বহু মানুষ। ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানান জেলা প্রশাসক আনারকলি মাহবুব।

ঝালকাঠি : গত রবিবার রাতে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির ভার্চুয়াল সভা হয়। পরে জেলা প্রশাসক জানান, ইয়াস মোকাবিলায় জেলার চার উপজেলায় ৫৯টি সাইক্লোন শেল্টারসহ ৪৯৯টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

ভোলা : গতকাল সকালে জোয়ারের প্রভাবে ভোলায় নদীতে স্বাভাবিকের চেয়ে ৪-৫ ফুট পানি বেড়ে গেছে। এতে চরফ্যাশনের কুকরি-মুকরি, ঢালচর, চরপাতিলাসহ নিম্নাঞ্চল তলিয়ে প্রায় ২ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। ঝুঁকিপূর্ণ ৪০টি চরাঞ্চলের সোয়া ৩ লাখ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে আনতে সব প্রস্তুতি নিয়েছেন বলে জানান জেলা প্রশাসক মো. তৌফিক-ই-লাহী চৌধুরী।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত