মেজাজ গরম সুপারহিরো ‘হাল্ক’-এর ভূমিকায় দশক জুড়ে মাত করেছেন মার্ক রাফেলো। সিনেমা পর্দায় তাকে দেখা গেছে আগ্রাসনবিরোধী লড়াইয়ে। বাস্তবে তেমন লড়াইয়ে অংশ নিয়ে পিছিয়ে এলেন বিখ্যাত হলিউড তারকা।
মাসের মাঝামাঝিতে ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদ করেন মার্ক রাফেলো, আগ্রাসী দেশটির ওপর বয়কটের আহ্বানও জানান। কিন্তু সময় গড়াতে ১৮০ ডিগ্রি উল্টো দিকে গিয়ে ক্ষমা চান। এরপর কেউ কেউ তাকে ‘মেরুদণ্ডহীন’ বলতেও ছাড়েননি।
সম্প্রতি পূর্ব জেরুজালেমে ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদ ও আল আকসায় মসজিদে মুসল্লিদের ওপর হামলার প্রেক্ষিতে ইসরায়েলে রকেট ছোড়ে হামাস। এরপর ইসরায়েলি হামলায় দুই শতাধিক ফিলিস্তিনি নিহত হয়, জনা দশেক ইসরায়েলি নিহত হয় পাল্টা হামলায়।
এ ঘটনায় তেল আবিবের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার দাবি তোলেন মার্ক রাফেলো। তার মতে, দক্ষিণ আফ্রিকার ওপর অবরোধ কৃষ্ণাঙ্গদের মুক্ত হতে সাহায্য করেছে, ইসরায়েলের হাত থেকে ফিলিস্তিনিদের মুক্ত করতে একই কর্মসূচি নেওয়ার সময় এখন।
একই সঙ্গে ‘যতক্ষণ না ফিলিস্তিনিদের পূর্ণ ও সমান নাগরিক অধিকার না দেওয়া হয়’, ততক্ষণ ইসরায়েলের প্রধান প্রধান শিল্পের ওপর আন্তর্জাতিক অবরোধ চেয়ে একটি পিটিশনের লিংক শেয়ার করেন সোশ্যাল মিডিয়ায়।
কিন্তু গত সোমবার এক টুইটে ‘ইসরায়েল/হামাসের লড়াই’ চলাকালে ‘ইসরায়েল গণহত্যা’ চালাচ্ছে এমন মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চান মার্ক রাফেলো। তার মতে, আগের মন্তব্য সঠিক ছিল না। এটি ‘অ্যান্টিসেমিটিজম’কে সমর্থন করছে। অতিশয়োক্তি এড়িয়ে চলার সময় এখন।
রাফেলো ক্ষমা চাওয়ায় দারুণ খুশি ইসরায়েলপন্থীরা। অভিনেতার প্রশংসা করছেন তারা। উল্টো দিকে ‘অ্যাভেঞ্জার্স’ তারকার পিছু হটার সমালোচনা করেছেন অনেকে।
এর আগে বেলা হাদিদসহ অনেক সেলিব্রিটি ফিলিস্তিনের পক্ষে দাঁড়িয়ে তুমুল বিরোধিতার শিকার হন। প্যারিস হিলটনসহ অনেকেই মুছে ফেলেছেন টুইট।
