হল-ক্যাম্পাস খুলে পরীক্ষা নেওয়ার দাবিতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ছাত্র সমাবেশ ও অনলাইনে-অফলাইনে গণস্বাক্ষর গ্রহণ কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষার্থীরা।
সোমবার বেলা বারোটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এ গণস্বাক্ষরের আয়োজন করেন শিক্ষার্থীরা। এরপর সেখানে হল-ক্যাম্পাস খোলার দাবিতে গণস্বাক্ষর করা হয়।
গণস্বাক্ষর কর্মসূচিতে পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী শাহাদাত হোসেন রাজীন, জেরিন, ইতিহাস বিভাগের মোস্তাফিজুর রহমান, বাংলা বিভাগের শ্যামলী তানজিন অনু, সাথিয়া সাথী, নওরীন নুসরাত, ল’ অ্যান্ড ল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট বিভাগের হুমায়রা আঞ্জুম অন্তু উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া আনারুল ইসয়াল, আলামিন ইসলাম, নির্মল, তানজিরসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
এর আগে প্রধান ফটকের সামনে ছাত্র সমাবেশ করেন শিক্ষার্থীরা। সমাবেশে শিক্ষার্থীরা বলেন, অনতিবিলম্বে হল ক্যাম্পাস খুলে সশরীরে পরীক্ষা নেওয়ার দাবিতে আজকের এই গণস্বাক্ষরসহ মানববন্ধন পালিত হচ্ছে।
এ ছাড়া সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক করার দাবি জানান তারা। হল-ক্যাম্পাস না খুললে কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন শিক্ষার্থীরা।
পরিসংখ্যান বিভাগের শাহাদাত হোসেন রাজীন বলেন, আমি চাই দ্রুত হল-ক্যাম্পাস খুলে দিয়ে পরীক্ষার ব্যবস্থা করা। না হলে অভিশাপ নামক সেশন জোটের সম্মুখীন হতে হবে আমাদের। তাই স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করে দ্রুত শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক করার জোর দাবি জানান।
শনিবার শিক্ষার্থীরা ৪ দফা দাবি সম্বলিত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন।
স্মারকলিপি গ্রহণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া। তিনি বলেন, আমরা পরীক্ষা নিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। একাডেমিক কমিটির মতামতের জন্য প্রতিটি বিভাগে চিঠি পাঠানো হয়েছে। সশরীরে পরীক্ষা গ্রহণের পক্ষে বেশি সংখ্যক মতামত এসেছে।
বিশ্ববিদ্যালয় খোলার ব্যাপারে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় খোলাসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি। উপাচার্য আসলেই দ্রুততম সময়ে অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের মিটিং হবে। সরকারি নিষেধাজ্ঞা না থাকলে সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় খোলাসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
এর আগে গত ২৭ মে চার দফা দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ এবং অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা।
