বাংলাদেশের গ্লোব বায়োটেকের তৈরি করোনাভাইরাসের টিকা ‘বঙ্গভ্যাক্স’ মানুষের শরীরে পরীক্ষার (হিউম্যান ট্রায়াল) অনুমোদন পেতে কিছু শর্ত দিয়েছে বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিল। একই শর্ত চীন ও ভারতের দুটি টিকার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
বিএমআরসি বলছে, ‘হিউম্যান ট্রায়ালের’ আগে বিএমআরসির নিয়ম অনুযায়ী সব ধরনের শর্ত পূরণ করতে হবে। গতকাল বুধবার সকালে বিএমআরসির বিশেষজ্ঞদের সভায় এই অনুমোদন দেওয়া হয়।
বিএমআরসি সূত্র জানিয়েছে, শিম্পাঞ্জি ও বানরের ওপর এই টিকাগুলোর কার্যকারিতা ও পাশর্^প্রতিক্রিয়ার সব কাগজপত্র বিএমআরসিতে জমা দিতে হবে।
বিএমআরসির পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. রুহুল আমিন সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘কয়েকটি শর্তে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে হিউম্যান ট্রায়ালের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সরাসরি অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলা যাবে না। শর্ত দেওয়া হয়েছে। ভুলত্রুটি ঠিক করলে আমরা অনুমতি দিয়ে দেব। শর্ত পূরণ করলে অনুমতি দেওয়া হবে।’
শর্তের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ফেজ ওয়ান ট্রায়ালের আগে বানর বা শিম্পাঞ্জির ওপর পরীক্ষা করতে হবে। এটা বিএমআরসির একটা নিয়ম। সেই নিয়ম মানলে আমরা অনুমতি দিতে পারব।’ সেই নিয়ম অনুযায়ী, শিম্পাঞ্জি ও বানরের ওপরে টিকা প্রয়োগ করার পর তার কার্যকারিতা ও পাশর্^প্রতিক্রিয়ার সব কাগজপত্র বিএমআরসিতে জমা দিতে হবে। এরপরই প্রতিষ্ঠান মানবদেহের ওপর টিকার ট্রায়াল চালানোর অনুমতি পেতে পারবে।
তিনি জানান, তিনটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীকে অচিরেই চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হবে। এই তিনটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি বাংলাদেশি-বঙ্গভ্যাক্স, অন্য দুটি বিদেশি।
