ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া সীমান্ত এলাকায় কিছু পাখিপ্রেমী ছাত্র-যুবকের একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নজর কেড়েছে এলাকাবাসীর। প্রশংসা পাচ্ছে সর্বস্তরের মানুষের। ‘সীমান্ত পাখি রক্ষা সংগঠন’ নামীয় এক ব্যতিক্রমী সংগঠন গড়ে তুলেছেন আখাউড়া উপজেলার দক্ষিণ ইউনিয়নের ধলেশ্বর, আবদুল্লাহপুর, হীরাপুর, আনন্দপুর, রাজেন্দ্রপুরসহ কয়েকটি গ্রামের ১৩ যুবক।
গত ১৮ এপ্রিল ধলেশ্বর গ্রামের রাবিয়া খাতুন স্মৃতি পাঠাগারে এক সভার মাধ্যমে এ সংগঠন যাত্রা শুরু করে। সংগঠনের বেশিরভাগ সদস্যই কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। কয়েকজন চাকরিজীবীও রয়েছেন। এ সংগঠনের মাধ্যমে ‘পাখি হত্যা’, ‘পাখির আবাসস্থল নষ্ট না করা’র আহ্বান জানিয়ে এলাকার কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ১০টি সাইনবোর্ড লাগানো হয়েছে। পাখিরা যাতে নিরাপদে আশ্রয় নিতে পারে সেজন্য ইতিমধ্যে ২৫টি গাছে কলস বাঁধা হয়েছে। আরও ২৫টি বাঁধা হবে। এছাড়াও এলাকায় লিফলেট বিতরণসহ মাইকিং করে পাখি রক্ষার জন্য জনসচেতনতা সৃষ্টি করার পরিকল্পনা রয়েছে এ উদ্যমী তরুণদের।
সংগঠনের আহ্বায়ক অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র তোফায়েল চৌধুরী বলেন, প্রকৃতিতে পাখির ভূমিকা অপরিসীম। পাখির কিচিরমিচির শব্দ আমাদের মনকে প্রফুল্ল করে। পাখির জন্য একটি নিরাপদ আবাসস্থল নিশ্চিত করা এবং কেউ যেন সখ মেটাতে পাখি হত্যা না করে এ লক্ষ্যেই সীমান্ত পাখি রক্ষা সংগঠন করেছি।
পাখি রক্ষা সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আকছির এম চৌধুরী বলেন, এলাকার কিছু সৃজনশীল ছাত্র-যুবক পাখি রক্ষা করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। এটি নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় উদ্যোগ।
