কোয়ারেন্টাইনে না থেকে জরুরি বিভাগে রোগী দেখার অভিযোগ উঠেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক মো. সফিউল্লাহ আরাফাতের বিরুদ্ধে।
গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত হাসপাতালের জরুরি বিভাগে বসে রোগী দেখেন তিনি। এতে চিকিৎসা নিতে আসাদের মধ্যে করোনা সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, করোনা রোগীদের চিকিৎসায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের নিচতলায় ৫০ শয্যার আইসোলেশন ওয়ার্ড করা হয়েছে। সেখানে বর্তমানে ২০ জনের বেশি করোনা রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। হাসপাতালের চিকিৎসক সফিউল্লাহ আরাফাত গত রবি ও সোমবার আইসোলেশন ইউনিটে দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় চিকিৎসাসেবার স্বার্থে তাকে করোনা রোগীদের সংস্পর্শে যেতে হয়।
নিয়ম অনুসারে করোনা আইসোলেশন ইউনিটে দায়িত্ব পালনের পর সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক-নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীকে বাধ্যতামূলক ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হয়। তবে ডা. সফিউল্লাহ আরাফাত এ নিয়ম না মেনে জরুরি বিভাগে বসে রোগী দেখেন।
জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ একরাম উল্লাহ বলেন, ‘আইসোলেশন ইউনিটে দায়িত্ব পালনের পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে দুই সপ্তাহ কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হয়। তার মাধ্যমে অন্যদের মধ্যে সংক্রমণ ঠেকাতেই এটি করা হয়।’
অভিযুক্ত ডা. সফিউল্লাহ আরাফাত বলেন, ‘হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক স্যার আপাতত আমাকে রোগী দেখা থেকে বিরত রেখেছেন। আমি আর রোগী দেখছি না।’
এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. ওয়াহীদুজ্জামান বলেন, ‘আইসোলেশন ইউনিটে দায়িত্ব পালনের তিন-চার দিন পর নমুনা পরীক্ষায় নেগেটিভ এলে তাকে আমরা রোগী দেখার অনুমতি দিচ্ছি। জনবল সংকটের কারণে এটি করা হচ্ছে। আমি তাকে (ডা. সফিউল্লাহ আরাফাত) ডেকে এনে বলেছি, তিন দিন পর নমুনা পরীক্ষা করে তারপর কাজে যোগ দিতে। এ সময় তাকে কোয়ারেন্টাইনে থাকতে বলা হয়েছে।’
