চলমান করোনা সংকট নিয়ে বিএনপির পাঁচ দফা প্রস্তাবনার অধিকাংশই ইতিমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে এবং কিছু বাস্তবায়নাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার যখন বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে জনগণের জীবনজীবিকার সুরক্ষায় অবিরাম কাজ করে যাচ্ছেন তখন বিএনপি জনগণের পাশে না দাঁড়িয়ে ঘরে বসে পাঁচ দফা প্রস্তাব দিয়েই তাদের দায়িত্ব শেষ করেছে।’
গতকাল শুক্রবার তার সরকারি বাসভবনে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপি এর পরে একদিন বলতে শুরু করবে সরকার বিএনপির পাঁচ দফা প্রস্তাব মানলে পরিস্থিতির আরও উন্নতি ঘটত। তাদের এসব প্রস্তাবের অধিকাংশই ইতিমধ্যে বাস্তবায়ন হয়েছে এবং কিছু বাস্তবায়নাধীন আছে। বিএনপির প্রস্তাব চর্বিতচর্বণ, যা সংকট উত্তরণের জন্য নতুন কিছু নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘সরকারকে পরামর্শ দিলেও দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি নিজেদের দায়িত্ব কী তা নিয়ে একটি কথাও বলেনি। যেকোনো দুর্যোগ ও সংকটে নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান করে মিডিয়ায় ঝড় তোলাই বিএনপির স্বভাব। করোনাকালেও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। তাছাড়া বিএনপির অপপ্রচার ও মিথ্যাচারের জবাব অনিচ্ছা সত্ত্বেও দিতে হয়, তা না হলে জনগণ তাদের মিথ্যাচারকেই সত্য বলে ধরে নেবে। শেখ হাসিনা সরকার দিন-রাত জনকল্যাণে কাজ করছে আর বিএনপি দেশ ও জাতির দুর্যোগকালে তাদের দায়িত্বশীলতা ভুলে গিয়ে প্রতিনিয়ত মিথ্যাচার করছে।’
দুর্যোগ কিংবা সংকটে জনগণ থেকে দূরে সরে উট পাখির মতো বালিতে মাথা গুঁজে রাখার নীতিই বিএনপির রাজনীতি উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘করোনাকালেও তারা সেই নীতি অনুসরণ করছে। অপরদিকে শেখ হাসিনা সরকার জনগণের সঙ্গে ছিল, আছে এবং থাকবে। দুর্যোগ ও সংকটের পরীক্ষিত নেতৃত্ব শেখ হাসিনা দেশবাসীর জন্য প্রয়োজনে জীবনবাজি রেখে হলেও সাধ্যের সর্বোচ্চটুকু উজাড় করে করবেনএ বিশ্বাস এবং আস্থা জনগণের রয়েছে।’
