ছোটপর্দার অন্যতম ব্যস্ত অভিনেতা ফারহান আহমেদ জোভান। এবার ঈদে তার দেড় ডজনের মতো নাটক প্রচার হবে। সম্প্রতি ওটিটিতে মুক্তি পেয়েছে তার অভিনীত সিরিজ ‘মরীচিকা’। এসব নিয়ে তার সঙ্গে কথা বলেছেন মাসিদ রণ
ঈদের কাজ...
এখন পর্যন্ত ১৪টি ঈদের নাটকে কাজ করেছি। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে মাবরুর রশীদ বান্নাহর ‘মায়ের ডাক’, প্রবীর রায় চৌধুরীর ‘বাবা তোমাকে ভালোবাসি’, রুবেল হাসানের ‘তুমি আমার নও (সাবিলা নূর)’, রাফাত মজুমদার রিংকুর পরিচালনায় দুটি নাটক ‘আই অ্যাম দ্য ডিরেক্টর (সাবিলা) ও আরেকটি তানজিন তিশার সঙ্গে। রোমান্টিক-কমেডি ধাঁচের কাজ করতে খুব ভালো লাগে। তেমন দুটি কাজ করেছি। একটি ইমরাউল রাফাতের ‘পাপ্পু ওয়েডস পিংকী’ ও ওসমান মিরাজের ‘এক্স যখন কলিগ (তানজিন তিশা)। ফারিনের সঙ্গে দুটি নাটক প্রচার হবে। একটি গৌতম কৈরীর পরিচালনায়। অন্যটি সাধন নামের একজন নবীন পরিচালকের। এ কাজটি সামনে করব। এখানে আমি একজন গার্ডের ভূমিকায় অভিনয় করব আর ফারিন কাজের লোকের চরিত্রে। এ ছাড়া কেয়া পায়েলের সঙ্গে করেছি মাহমুদ মাহিনের ‘ওয়ান সাইডেড লাভ’।
পছন্দের কাজ...
প্রতিটি কাজই যত্ন নিয়ে করেছি। কিন্তু কিছু থাকে অন্য রকম। যেগুলো স্মৃতির পাতায় থেকে যায়। তেমন একটি কাজের কথা বলব এবার বান্নাহর ‘মায়ের ডাক’। আমার যতটুকু জানা, এটা এ ঈদের সবচেয়ে বড় বাজেটের নাটক। অভিনয় করেছেন দিলারা জামান, তাহসান খান, মম, তাসনিয়া ফারিন, কেয়া পায়েল, তৌসিফ মাহবুব, শাহেদ আলী সুজনসহ আরও কয়েকজন তারকা। এত জনপ্রিয় তারকার ভিড়ে নিজের চরিত্রটি ফুটিয়ে তোলাটা একধরনের চ্যালেঞ্জ ছিল। আমি সেটিকে ভালোভাবে ওভারকাম করতে পেরেছি বলে মনে হয়েছে। এ ছাড়া প্রবীর রায়ের ‘বাবা তোমাকে ভালোবাসি’তে কাজ করেছি দেশের তিনজন কিংবদন্তি অভিনেতা মামুনুর রশীদ, আবুল হায়াত ও ফজলুর রহমান বাবুর সঙ্গে। তার সঙ্গে কাজ করা ভাগ্যের ব্যাপার। অনেক কিছু শেখা যায় তাদের কাছ থেকে। এ নাটকে আমার বিপরীতে ছিলেন ফারিন।
‘মরীচিকা’য় সাড়া...
‘মরীচিকা’য় ছোট্ট একটি চরিত্রে কাজ করেছি। সেদিক থেকে এখন পর্যন্ত সাড়া বেশ ভালোই পাচ্ছি। তবে আমি নিজের অভিনয় নিয়ে শতভাগ তুষ্ট নই। কাজটি দেখার পর মনে হয়েছে, আরও ভালো করতে পারতাম। কাজটি নিয়ে আমার প্রত্যাশা ছিল অনেক। ভেবেছিলাম, এত বড় তারকা কাস্টিং, আরও অনেক গোছানো কাজ হবে, আরও অনেক ডিটেইলিং হবে। কিন্তু তাড়াহুড়ার মধ্যে সেটা হয়নি।
ঈদে...
এই করোনাকালে ঈদ সেভাবে উদযাপন করার মানসিকতা থাকে না। একেবারেই সাদামাটা ঈদ পালন করা হবে। আমি ঢাকার মানুষ। দাদাবাড়ি, নানাবাড়ি সবই ঢাকায়। ঈদের সময় রাস্তা ফাঁকা থাকে। তাই দাদাবাড়ি ও নানাবাড়ি যাওয়া হবে। এর বাইরে তেমন কোনো পরিকল্পনা নেই। সবাইকে অনুরোধ করব, আপনারা ঘরে থেকে নিরাপদভাবে ঈদ উদযাপন করুন। আর ভালো সময় কাটবে যদি টিভি ও ইউটিউবে আমাদের ঈদের কাজগুলো দেখেন।
