ভার্চুয়াল সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আগামী বছরের শুরুতে হাতে থাকবে ২১ কোটি টিকা

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২১, ০১:০৭ এএম

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, বর্তমানে সরকারের হাতে এক কোটির ওপরে করোনার টিকা রয়েছে। আগামী মাসের মধ্যেই আরও দুই কোটি টিকা আসবে। এভাবে চীন থেকে তিন কোটি, রাশিয়া থেকে সাত কোটি, জনসন অ্যান্ড জনসনের সাত কোটি, অ্যাস্ট্রাজেনেকার তিন কোটিসহ আগামী বছরের শুরুর মধ্যেই সরকারের হাতে প্রায় ২১ কোটি টিকা চলে আসবে। এর মাধ্যমে দেশের অন্তত ৮০ শতাংশ মানুষকে টিকা দিতে সক্ষম হবে সরকার।

গতকাল শনিবার বাংলাদেশ বেসরকারি মেডিকেল কলেজ অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত ‘কভিডের তৃতীয় ঢেউ মোকাবিলায় কভিড-১৯ সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি প্রতিরোধ, অক্সিজেন সংকট, হাসপাতালের সুযোগ-সুবিধা ও শয্যাসংখ্যা বৃদ্ধি’ শীর্ষক ভার্চুয়াল সভায় এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

জাহিদ মালেক বলেন, দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো নির্বিঘœ রাখতে এবং অধিকাংশ নাগরিককে টিকার আওতায় আনতে এখন থেকে ১৮ বছরের ঊর্ধ্বের নাগরিককে টিকা দেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই সরকারের আইসিটি বিভাগের আওতাধীন জাতীয় সুরক্ষা অ্যাপে ১৮ বছরের বেশি বয়সী নাগরিকরা যেন নিবন্ধন করতে পারেন, সে ব্যাপারে নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আগামীতে ভারত থেকে প্রতি সপ্তাহে প্রায় ২০০ টন তরল অক্সিজেন আমদানি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ মাসে ৮০০ মেট্রিক টন তরল অক্সিজেন আনার ব্যবস্থা করেছি। এর সঙ্গে সরকার প্রায় ৪৩টি বড় সাইজের অক্সিজেন জেনারেটরের ব্যবস্থা করেছে। যেটা মিনিটে ৫০০ থেকে ৬০০ লিটার অক্সিজেন সাপ্লাই দিতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রায় ২৫০টি ভেন্টিলেটর পাচ্ছি। নিজেদের যা আছে তার পাশাপাশি আরও ৩৫০টি ভেন্টিলেটর কেনা হচ্ছে। এছাড়া খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে চার হাজার চিকিৎসক, চার হাজার নার্সসহ বিপুলসংখ্যক টেকনোলজিস্ট নিয়োগের কাজও এগিয়ে চলেছে।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বেসরকারি মেডিকেল কলেজ অ্যাসোসিয়েশনের কাছে কভিডের তৃতীয় ধাপ মোকাবিলায় আরও শয্যাসংখ্যা বৃদ্ধির অনুরোধ জানালে অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষে সভাপতি মুবিন খান স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে অন্তত দুই হাজার নতুন কভিড ডেডিকেটেড শয্যা বৃদ্ধি করার আশ্বাস দেন।

বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মুবিন খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক এ বি এম খুরশিদ আলম, জাপান ইস্ট ওয়েস্ট মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, গ্রিন লাইফ মেডিকেল কলেজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাঈনুল আহসান, পপুলার মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান, আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন খান, ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চেয়ারম্যান প্রীতি চক্রবর্ত্তী প্রমুখ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত