চট্টগ্রামের সদ্যপ্রয়াত ফটোসাংবাদিক দিদারুল আলমের পরিবারের পাশে দাঁড়াল বসুন্ধরা গ্রুপ। তার একমাত্র মেয়ের হাতে ১০ লাখ টাকার সহায়তা চেক তুলে দিয়েছেন বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর। বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ‘এমডি হাউসে’ এ সহায়তা চেক তুলে দেওয়া হয়। দিদারুল আলম বাংলাদেশ প্রতিদিন চট্টগ্রাম অফিসের সিনিয়র ফটোসাংবাদিক ছিলেন।
এ সময় বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক চট্টগ্রামের সংবাদমাধ্যমকর্মীদের কাজের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রামের মাটি ও মানুষের সঙ্গে থাকবে বসুন্ধরা গ্রুপ। ক্রমেই নতুনতর উদ্যোগে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে কাজ করছে দেশের এই বৃহৎ শিল্প পরিবার।’
তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রামের সম্পদের সঠিক ব্যবহার ও সম্ভাবনার সবটুকু অর্জনে গণমাধ্যমকর্মীদের বিশেষ ভূমিকা ও সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ। গণমাধ্যমকর্মীদের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি জাতীয় অগ্রগতিও ত্বরান্বিত করে। সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে সংবাদমাধ্যমকর্মীদের এমন দৃষ্টিভঙ্গি প্রণোদনার মতোই।’
তিনি সাংবাদিক দিদারুল আলমের নিবেদিত ভূমিকার কথাও উল্লেখ করে তার স্ত্রী দিলরুবা বেগম দীপ্তি ও স্কুলপড়ুয়া মেয়ে সামান্তা দিদার দীঘিকে সান্ত্বনা দেন এবং তার ভবিষ্যৎ সাফল্য কামনা করেন।
বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক ও নিউজ টোয়েন্টিফোরের প্রধান নির্বাহী সিনিয়র সাংবাদিক নঈম নিজাম বলেন, যেকোনো মূল্যে বসুন্ধরা গ্রুপ গণমাধ্যমকর্মীদের পাশে ছিল এবং থাকবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন রংধনু গ্রুপের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রফিক, বসুন্ধরা গ্রুপের মিডিয়া অ্যাডভাইজর মোহাম্মদ আবু তৈয়ব, কালের কণ্ঠের সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন, নিউজ টোয়েন্টিফোরের বার্তাপ্রধান রাহুল রাহা, বাংলানিউজ টোয়েন্টিফোরের সম্পাদক জুয়েল মাজহারসহ ইস্টওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের কর্মকর্তারা এবং চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ আলী, সাধারণ সম্পাদক শামসুল ইসলাম প্রমুখ।
দিদারুল আলম বিএফইউজে-বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের নির্বাহী কমিটির সদস্য ও চট্টগ্রাম ফটোজার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ছিলেন।
