স্কুলে যাওয়ার পথে কিশোরীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ

আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:১৬ এএম

বরিশালের হিজলায় বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। গত সোমবার সকালে এ ঘটনার পর অচেতন অবস্থায় ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে স্থানীয় লোকজন বাড়িতে পৌঁছে দেয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে রাতে তাকে হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে পরে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে ওই কিশোরীকে।

এদিকে কিশোরগঞ্জে পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তার খালাতো ভাইয়ের বিরুদ্ধে। গত সোমবার রাতে কিশোরগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনের রেস্ট হাউজে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে শিশুর স্বজনরা। বিস্তারিত দেশ রূপান্তরের প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরে :

বরিশালে ধর্ষণের শিকার কিশোরীর পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, স্থানীয় বাসিন্দা ভাড়ায় চালানো মোটরসাইকেল চালক আতাউল্লাহ মোল্লা স্কুলে যাওয়ার পথে কিশোরীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় কিশোরীর পরিবার আতাউল্লাহ মোল্লাকে আসামি করে গত সোমবার গভীর রাতে হিজলা থানায় মামলা করেছে। তবে আতাউল্লাহকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। সে ভারুইয়া গ্রামের করিম মোল্লার ছেলে।

কিশোরীর স্বজনরা জানান, আতাউল্লাহ বেশ কিছুদিন ধরে ধর্ষণের শিকার কিশোরীকে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। সোমবার সকালে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে ভারুইয়া গ্রামে তার পথরোধ করে আতাউল্লাহ। এ সময় মুখ চেপে ধরে কিশোরীকে পার্শ¦বর্তী একটি বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়।

ওই কিশোরীর বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল মোতালেব দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘ঘটনা জানার পর চিকিৎসার জন্য তাকে হাসপাতালে নেওয়ার জন্য বলা হয়। একই সঙ্গে পুলিশকেও বিষয়টি জানানো হয়।’

হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক শাহরাজ দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘মেয়েটির রক্তক্ষরণ হয়েছে। তাই উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।’

হিজলা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) তারেক হাসান রাসেল জানান, ধর্ষণের শিকার কিশোরীর পরিবার সোমবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে থানায় এসে ধর্ষণ মামলা করেছে। মামলার আসামি গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

কিশোরগঞ্জে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ধর্ষণের শিকার : কিশোরগঞ্জে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে ঘটনার রাতেই শিশুর ভাই বাদী হয়ে রেলওয়ে থানায় খালাতো ভাই সাগরের নামে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। আসামি সাগর রেলওয়ের প্রকৌশল বিভাগের চতুর্থ শ্রেণির অস্থায়ী কর্মচারী। সে কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের পূর্ব তারাপাশা এলাকার আবদুল জলিলের ছেলে।

রেলওয়ে পুলিশ জানায়, সোমবার সন্ধ্যার পর জন্মদিনের অনুষ্ঠানের কথা বলে ওই ছাত্রীকে স্টেশন এলাকার বাসা থেকে রেলওয়ে স্টেশনের ভিআইপি রেস্ট হাউজে নিয়ে যায় খালাতো ভাই সাগর। পরে দরজা বন্ধ করে রেস্ট হাউজের টয়লেটে তাকে ধর্ষণ করে। শিশুর চিৎকার শুনে জিআরপি থানা পুলিশের সদস্য ও স্টেশনের লোকজন দরজা ভেঙে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় শিশুকে উদ্ধার করে। এ সময় সাগর জানালা দিয়ে পালিয়ে যায়।

কিশোরগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনের সহকারী স্টেশন মাস্টার জয়নাল মিয়া দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘লোকজনের হইচই শুনে ঘটনা জানতে পারি। সিসিটিভি ফুটেজে শিশুকে রেস্ট হাউজে নিয়ে যেতে দেখা যায়। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্র্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’

জিআরপি থানার ওসি মো. এমদাদুল হক বলেন, ‘এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। অভিযুক্ত সাগরকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে। শিগগিরই তাকে গ্রেপ্তারে সক্ষম হব বলে আশা করছি।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত