রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪, ৮ বৈশাখ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

চুয়াডাঙ্গার হাসাদহ ফাঁড়ি

আটকের পর টাকা নিয়ে মুক্তি, ২ পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার

আপডেট : ০৩ অক্টোবর ২০২১, ০২:৪৫ এএম

চার যুবককে ধরে টাকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগে চুয়াডাঙ্গার জীবননগরের হাসাদহ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই রকি মন্ডল ও এএসআই সাহাজুল ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে গত শুক্রবার তাদের দুজনকে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়।

এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগী যুবকদের পরিবারের সদস্যরা জানান, হাসাদহ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ রকি মন্ডল ও এএসআই সাহাজুল ইসলাম গত বুধবার রাতে হাসাদহ গ্রামের শরিফুল ইসলাম, সজল, শফি ও রানা নামের চার যুবককে মাদক সেবনের অভিযোগে আটক করেন। তাদের ফাঁড়িতে নিয়ে পরিবারের সদস্যদের খবর দেন। পরে পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে রাত ১১টার দিকে ২০ হাজার টাকা নিয়ে ওই যুবকদের ছেড়ে দেন পুলিশের ওই দুই কর্মকর্তা। আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি এক পর্যায়ে ওই এলাকার লোকজনের মধ্যে জানাজানি হয়। এরপর ওই ২০ হাজার টাকা গত বৃহস্পতিবার রাতে ভুক্তভোগীদের বাড়িতে ফেরত দিয়ে যান ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তা। এরই মধ্যে বিষয়টি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্র্তৃপক্ষ জানতে পেরে তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে জীবননগর থানার ওসি মো. আব্দুল খালেক দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘হাসাদহ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ রকি মন্ডল ও এএসআই সাহাজুল ইসলামকে পুলিশ লাইনে নেওয়া হয়েছে। তবে কী কারণে তাদের পুলিশ লাইনে নেওয়া হয়েছে তা এখন পর্যন্ত জানতে পারিনি।’

এ প্রসঙ্গে চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মো. জাহিদুল ইসলাম দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘পেশাদার পুলিশের ট্রেনিং নিয়ে অপেশাদার কাজ করায় ওই দুই পুলিশ সদস্যকে পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করা হয়েছে।’

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত