স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের পারিবারিক কোম্পানি বিডি থাই ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন দিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। কোম্পানিটি আইপিওর মাধ্যমে অভিহিত মূল্যে শেয়ার ছেড়ে ১৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। তবে দুর্বল মৌলভিত্তির কোম্পানি হওয়ায় শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ন্যূনতম ১ টাকায় উন্নীত না হওয়া পর্যন্ত এর উদ্যোক্তা-পরিচালকরা কোনো লভ্যাংশ গ্রহণ করতে পারবেন না, এমন শর্তে গতকাল আইপিওটির অনুমোদন দিয়েছে কমিশন।
বিডি থাই ফুড অ্যান্ড বেভারেজে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের ১৩ দশমিক ৯৮ শতাংশ উদ্যোক্তা শেয়ার রয়েছে। এ ছাড়া কোম্পানিটিতে জাহিদ মালেকের দুই সন্তান রাহাত মালেক ও সিনথিয়া মালেকের যথাক্রমে ৩ দশমিক ৩২ ও শূন্য দশমিক ৭৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। এর বাইরে কোম্পানিটির চেয়ারম্যান জাহিদ মালেকের বোন রুবিনা হামিদের শেয়ার রয়েছে ১০ দশমিক ৬৮ শতাংশ। রুবিনা হামিদের স্বামী কোম্পানির পরিচালক কাজী আকতার হামিদের ৪ দশমিক ১৮ শতাংশ ও সন্তান রায়ান হামিদের ৩ দশমিক ১৯ শতাংশ উদ্যোক্তা শেয়ার রয়েছে। এর বাইরে তাদের মালিকানাধীন সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স ও বিডি থাই অ্যালুমিনিয়ামের ২৪ শতাংশ শেয়ারের মালিকানা রয়েছে কোম্পানিটিতে।
বিডি থাই ফুড অ্যান্ড বেভারেজের পরিশোধিত মূলধন হচ্ছে ৬৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা, যার মধ্যে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের ৬০ দশমিক ১৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। অবশ্য উদ্যোক্তা-পরিচালকসহ বিদ্যমান সব শেয়ারের ওপর তিন বছরের লক-ইন দিয়েছে এসইসি।
এসইসি জানিয়েছে, বিডি থাই ফুডসের ২০২০ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী পুনর্মূল্যায়ন ছাড়া নেট অ্যাসেটভ্যালু হয়েছে ১২ টাকা ৮২ পয়সা ও পুনর্মূল্যায়নসহ ১৪ টাকা ২৩ পয়সা। এ ছাড়া গত ৫ বছরের ভারিত গড় হারে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬৩ পয়সা। নিট মুনাফায় দুর্বলতা কাটিয়ে না ওঠা পর্যন্ত আইপিও পূর্ব শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে এসইসি। আইপিওর মোট শেয়ারের ১৫ শতাংশ প্রতিষ্ঠানটির কর্মীদের ইস্যু করা যাবে, যা ২ বছর লক-ইন থাকবে।
