সাবেক স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনের এপিএস ও সাবেক যুবলীগ নেতা এ এইচ এম ফোয়াদকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত মঙ্গলবার রাতে তাকে ঢাকার একটি আবাসিক এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি হত্যা, অর্থ পাচারসহ আটটি মামলার আসামি।
গতকাল বুধবার দুপুরে ফরিদুপরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জামাল পাশা এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ফোয়াদ দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিলেন। এর আগে তাকে ধরতে পুলিশ দেশের বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করেছিল।
পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, ২০১৫ সালের ছোটন হত্যা মামলায় ফোয়াদকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। বিকেলে ফরিদপুর ১ নম্বর আমলি আদালতে তুলে তাকে রিমান্ডে চায় পুলিশ। আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে।
দুই হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে ফরিদপুরের আলোচিত দুই ভাই আওয়ামী লীগ নেতা সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও ইমতিয়াজ হাসান রুবেলের বিরুদ্ধে সিআইডির করা মামলার অভিযোগপত্রে আসামির তালিকায় চার নম্বরে রয়েছে ফোয়াদের নাম।
নগরকান্দার উপজেলার বিলনালিয়া এলাকার মোজদার চোকদারের ছেলে ফোয়াদ সাবেক স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনের এপিএসের দায়িত্বে ছিলেন। গত বছর ২৬ জুন অর্থপাচারের মামলার আসামি হওয়ার পর তাকে ফরিদপুর জেলা যুবলীগের আহ্বায়কের পদ থেকে অপসারণ করা হয়।
