চবিতে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ, আহত ২

আপডেট : ১৫ অক্টোবর ২০২১, ১০:৫৩ পিএম

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখা ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে ছাত্রলীগের দুই কর্মী আহত হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে বিশ^বিদ্যালয়ের শাহ আমানত হলের সামনে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন শাটল ট্রেনের বগিভিত্তিক শাখা ছাত্রলীগের গ্রুপ সিক্সটি নাইনের কর্মী ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নাহিয়ান হায়দার এবং সিএফসি গ্রুপের কর্মী ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. আরাফাত। আহতদের বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিচিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

সংঘর্ষে বিবদমান গ্রুপ দুটির মধ্যে সিক্সটি নাইন গ্রুপ চট্টগ্রাম নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির এবং চবি শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন টিপু এবং সিএফসি গ্রুপ শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল ও চবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল হক রুবেলের অনুসারী হিসেবে ক্যাম্পাসে পরিচিত বলে জানা যায়।

জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাংলা বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র ও সিক্সটি নাইন গ্রুপের কর্মী শিহাব আরমান মানিককে মারধর করে সিএফসি গ্রুপের কর্মীরা। এ ঘটনার জেরে শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে সিএফসির কর্মীরা আমানত হলে প্রবেশ করতে গেলে সিক্সটি নাইন গ্রুপের কর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় উভয় গ্রুপের কর্মীদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ^বিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. রবিউল হাসান ভূঁইয়া বলেন, ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে হালকা ঝামেলা হয়েছিল। পুলিশ ক্যাম্পাসে অবস্থান নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

কুবিতে ছাত্রলীগের ২ গ্রুপের মারামারি :  সিনিয়রের নাম ধরে ডাকাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) শাখা ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে মারামারির ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলে এ ঘটনা ঘটে।

াখা ছাত্রলীগের কর্মী দাবি করে শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলাম মাজেদ বলেন, নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি থেকে হাতাহাতি হয়েছে। আমরা সিনিয়রদের সঙ্গে বসে বিষয়টি সমাধান করেছি। পরে সভাপতির সঙ্গে কথা বলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের প্রভোস্ট ড. মোহাম্মদ জুলহাস মিয়া বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। এটি হলের অভ্যন্তরীণ বিষয়, আমরা বসে বিষয়টি সমাধান করে দেব। আর প্রক্টর ড. কাজী মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন জানান, আবাসিক হলের বিষয়গুলো প্রভোস্ট দেখভাল করেন। তবে হল প্রভোস্ট প্রক্টর বরাবর অভিযোগ দিলে তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত