অসুখের কথাই তো কেবল বলছি। কিন্তু কিছু মানুষ তো বেশ সুখেই আছে। রোগবালাই দেখা দিলে তাদের সুখের বান ডাকে, সম্পদ বৃদ্ধির সুযোগ বাড়ে। আজকের পৃথিবীর শীর্ষ ধনকুবেরদের একজন হচ্ছেন আমাজন নামের ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের মালিক জেফ বাজোস। একেবারে শীর্ষেই আছেন বলা হয়। পৃথিবী তার হাতের মুঠোয়। কিন্তু এরপরে কী করবেন? সুখের আর কী বাকি আছে? পৃথিবীতে আর কিছু পাওয়ার নেই দেখে মহাকাশ ভ্রমণে যাচ্ছেন। তার নিজেরই প্রতিষ্ঠান রয়েছে। সেই প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনায় মহাকাশ ভ্রমণে যাবেন। সঙ্গে থাকবেন তার ভ্রাতা। স্ত্রী নেই, বিচ্ছিন্ন হয়েছেন, তাই ভাইকে নেবেন সঙ্গে; আরও থাকবেন চারজন। কিন্তু এই ভ্রমণানন্দ শুধু যে জেফ বাজোস আর তার সঙ্গীরাই পাবেন তা নয়, অন্য প্রতিষ্ঠানও আছে, তারাও আয়োজন করছে। মহাকাশে আনন্দ-ভ্রমণের। বাণিজ্যিকভাবেই ভ্রমণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। অনেক অনেক টাকা ভাড়া দিতে হবে প্রত্যেকটি যাত্রীকে। তাতেও অসুবিধা নেই; এরই মধ্যে হাজারের বেশি ধনী ব্যক্তি নাম রেজিস্ট্রি করে ফেলেছেন, তারাও চাইছেন এরই মধ্যে প্রাপ্ত নিজ নিজ সুখকে আরও প্রসারিত করতে।
মহাকাশ ভ্রমণের বিষয়টি নিয়ে প্রচারও চলছে। বর্তমান বিশ্বে বরেণ্য বুদ্ধিজীবীদের একজন হচ্ছেন নোয়াম চমস্কি। কদিন আগে তিনি একটি সাক্ষাৎকারে দুঃখ করে বলেছেন (প্রথম আলো ২৪.০৮.২১) যুক্তরাষ্ট্রে কয়েকটি টিভি চ্যানেল রয়েছে যারা ট্রাম্প-সমর্থক; এরা এক দিনে ২৬৭ মিনিট ধরে বাজোসের মহাকাশ ভ্রমণের খবর প্রচার করেছে, অথচ ২০২০ সালে সারা বছরে জলবায়ু সমস্যার বিষয়ে তাদের প্রচার-সময় ছিল ২১২ মিনিট। চমস্কি বলেছেন, অতএব এতে বিস্ময়ের কোনো কারণ নেই যে, রিপাবলিকানদের শতকরা ৫৮ জন মনে করে জলবায়ুর ব্যাপারটা কোনো সমস্যাই নয়। আমরা যুক্ত করতে পারি এই তথ্য এই যে, ওই সব মহাকাশ বিলাস ভ্রমণের জন্য ব্যবহৃত প্রতিটি রকেট নিক্ষেপণে একটি সাধারণ যাত্রীবাহী বিমানের তুলনায় ১০০ গুণ অধিক কার্বন নিঃসরণ ঘটবে।
তবে ধুমধাড়াক্কা যতই প্রচার পাক মহাকাশে জেফ বাজোসের ভ্রমণ নিয়ে পৃথিবীব্যাপী যে উল্লাস দেখা দেবে এমনটি কিন্তু ঘটেনি। বিপরীত ঘটনাই ঘটেছে। একটি ওয়েবসাইটে পিটিশন করা হয়েছে যে বাজোস যেন মহাকাশেই থাকেন, পৃথিবীতে আর না নামেন। পিটিশনে প্রথম চোটেই স্বাক্ষর পড়েছিল কয়েক হাজার; দ্রুতই সে-সংখ্যা গিয়ে পৌঁছেছে কয়েক লাখে। জেফ বাজোসদের তারা পৃথিবীতে দেখতে চান না। তার কারণ কেবল যে ওই কার্বন-নিঃসরণ তা নয়, ধনীদের ধনী হওয়ার প্রক্রিয়াটাও। মানুষ জানে ধন মহাকাশ থেকে নেমে আসে না, উৎপাদিত হয় এই মাটির পৃথিবীতেই। ওই ধনীরা ব্যবসা করেছে, যার অর্থ হলো শ্রম-শোষণ, প্রতারণা, কর ফাঁকিসহ নানা পৃথিবীর মানুষের অসুখ বাড়িয়েছে। ওয়েবসাইটে স্বাক্ষরকারীদের একজন লিখেছেন, ‘বাজোস এই ধরণীকে অভিশপ্তকরণে ব্যস্ত শয়তানদের গুরু।’ অর্থাৎ কি না শয়তান-শ্রেষ্ঠ। এই উপলব্ধি অসংখ্য মানুষের। কিন্তু তারা কী করবে? পিটিশন করতে পারে; কিন্তু কার কাছে? পিটিশন অন্য কারও কাছে নয়, আসলে ভুক্তভোগী মানুষের কাছেই। তাদের ঐক্য চাই, ঐক্যবদ্ধ কর্মসূচি চাই।
যথার্থভাবেই নোয়াম চমস্কি তার সাক্ষাৎকারে জলবায়ু সংকট সৃষ্টির জন্য ধনী দেশের ধনীদেরই দায়ী করেছেন। এর বিরুদ্ধে জনমত ও বৈশ্বিক চুক্তির প্রয়োজনের কথাও জোর দিয়ে বলেছেন তিনি। স্বাভাবিকভাবেই তার বক্তব্যে আন্তর্জাতিকতার প্রসঙ্গটি এসেছে। আন্তর্জাতিকতা দুই ধরনের হতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেছেন। একটি আন্তর্জাতিকতা ধনীদের, যারা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ বাধিয়েছিল। অন্যটি শ্রমিক আন্দোলনের। এই দ্বিতীয় ধরনের আন্তর্জাতিকতার জন্য অনেকে কাজ করেছেন। প্রাণ পর্যন্ত দিয়েছেন। চমস্কি রোজা লুক্সেমবার্গের নাম উল্লেখ করেছেন। বর্তমান বিশ্বে দ্বিতীয় ধরনের আন্তর্জাতিকতার দৃষ্টান্ত হিসেবে কিউবার কথাও এসেছে তার সাক্ষাৎকারে। এই করোনাকালে কিউবা নিজের দেশকে তো সামলাতে পেরেছেই, চিকিৎসক পাঠিয়েছে ইতালিতে ও পানামায়। পানামায় চিকিৎসক পাঠানো হচ্ছে দেখে ট্রাম্পের প্রশাসন হস্তক্ষেপ করেছে। ২০২০ সালে ট্রাম্প সরকারের স্বাস্থ্য ও নাগরিকসেবা দপ্তরের বার্ষিক প্রতিবেদনে কিউবার ‘ক্ষতিকর প্রভাব’ থেকে পানামাকে রক্ষা করার আবশ্যকতায় কিউবা-প্রেরিত সব চিকিৎসককে বহিষ্কারের জন্য পানামার ওপর চাপ দেওয়ার এবং এ কাজে মার্কিন সরকারের সফলতার উল্লেখ আছে। নোয়াম চমস্কি দুঃখ করে সে কথাটা বলেছেন।
এই দুঃখ এখন অসংখ্য মানুষের। আমাদের অতিরিক্ত দুঃখ কিন্তু এজন্যও যে, চমস্কি সব কথাই বললেন কিন্তু শেষ কথাটা বললেন না। সেটা হলো এই যে, সমস্যার মূলে রয়েছে পুঁজিবাদ এবং আজকে যে আন্তর্জাতিকতা প্রয়োজন সেটা শুধু জলবায়ু সংকটের মোকাবিলা করার জন্য নয়, পুঁজিবাদের মারাত্মক তৎপরতা থেকে পৃথিবীকে বাঁচানোর জন্যই। উন্নত পৃথিবী নয়, প্রয়োজন নতুন পৃথিবী। যে পৃথিবী ব্যক্তি মালিকানার অবসান ঘটিয়ে সামাজিক মালিকানা প্রতিষ্ঠা করবে। উদারনীতির সীমা উদারনীতিক বুদ্ধিজীবীরা লঙ্ঘন করতে পারবেন বলে ভরসা কম। উদারনীতিই বাধা দেবে। উদারনীতির উদারতার দুয়ারটুকু পার হওয়া হবে না। সংশয় এসে থামিয়ে দেবে এবং দিচ্ছেও।
তালেবানরা ক্ষমতা দখল করেছে, দখল করেই তারা টের পেয়েছে যে আমেরিকা বিদায় হয়েছে ঠিকই, কিন্তু তার চেয়েও ভয়ংকর একটি শক্তি অনুপ্রবিষ্ট হয়েছে দেশের ভেতরে। মিত্রের বেশ ধরে। তারা হচ্ছে আইএস। আইএসের জঙ্গিরা আমেরিকানদের চেয়েও ভয়ংকর। এদের একজন বোমারুই এরই মধ্যে এক আঘাতে ১৭০ জনকে হত্যা করেছে। ভবিষ্যতে আরও করবে বলে আশা রাখে। এরা মরতে ভয় পায় না, বিশ্বাস করে যে জেহাদের পথে মারা গেলে আখেরাতে বেহেস্তে বসবাস সুনিশ্চিত। এদের রোখাটা সহজ নয় এবং রুখতে গিয়ে হয়তো আবার ওই আমেরিকানদের সাহায্যই চাইতে হবে। আগের বারে পাঁচ বছর রাষ্ট্রশাসনের জন্য যেমনটা করতে হয়েছিল। তবে তালেবানরা জো বাইডেনের আমেরিকার কাছেই যাবে, কিছুতেই সে-ই আমেরিকার কাছে যাবে না বার্নি স্যান্ডার্স, যার প্রতিনিধিত্ব করেন। চরিত্রে জো বাইডেনের আমেরিকাও তো ট্রাম্পেরই আমেরিকা; তফাতটা বাইরের দিকে বড় মনে হলেও সারবস্তুতে নয়। জেফ বাজোসরাও অবশ্যই ট্রাম্পপন্থি। হতেই হবে। ট্রাম্পের টেলিভিশন যে বাজোসদের গুণগান প্রচার করবে সেটাও অবধারিত। সমাজতন্ত্রে তাদের ভীষণ অনীহা।
আফগানিস্তানে অনেক মানুষ আছে যারা তালেবান, আইএস ও পুঁজিবাদী আমেরিকা কাউকেই চায় না, সত্যিকারের মুক্তি চায়। সোভিয়েত ইউনিয়নের ভুলটা ছিল ওপর থেকে ‘সমাজতন্ত্র’ চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা। সমাজতন্ত্র ওপর থেকে চাপানোর জিনিস নয়; তাকে গড়ে উঠতে হয় একেবারে ভেতর থেকে, আন্দোলন ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে। প্রয়োজন হয় সামাজিক বিপ্লবের। সংগ্রামটা মূলত রাজনৈতিক, কিন্তু অতি অবশ্য সাংস্কৃতিকও। সাংস্কৃতিক ওই অগ্রগমনের প্রয়োজন আফগানিস্তানের বহু মানুষ নিশ্চয়ই উপলব্ধি করে; বোঝে যে সামন্তবাদী অন্ধকারের বেষ্টনী ভেঙে পুঁজিবাদী কারাগারে পদার্পণে মুক্তি নেই; মুক্তি নেই দেশ ছেড়ে পলায়নেও। কিন্তু তারা সংগঠিত হতে পারেনি। সংগঠিত হওয়াটা খুবই কঠিন, তবে খুবই দরকার। যত কঠিন তত দরকার।
সংগ্রামটা আন্তর্জাতিক। কিন্তু সেটি আবার স্থানীয়ও। স্থানীয় হয়েই আন্তর্জাতিক। প্রত্যেকটি রাষ্ট্রের ভেতরেই সামাজিক বিপ্লবের আন্দোলন গড়ে ওঠা চাই। সংঘবদ্ধতা গড়ে উঠবে ওই লক্ষ্যে। পুঁজিবাদের সবচেয়ে কার্যকর অস্ত্রগুলোর একটি হচ্ছে বিচ্ছিন্নতা। প্রত্যেককে আলাদা করে ফেল, জানিয়ে দেয় যে বাঁচতে হলে শুধু নিজেরটা বোঝা চাই। করোনাভাইরাসেরও যেটা মূল বাণী।
ওয়াশিংটন পোস্ট পত্রিকার একজন সম্পাদক দীর্ঘদিন পত্রিকা সম্পাদনার কাজ শেষে অবসরে গিয়ে এক সমাবর্তন বক্তৃতায় বলেছিলেন যে, কর্মজীবনে তার উপলব্ধিটা ছিল ‘আমি-আমরা’র; অবসর নিয়ে দেখছেন তিনি ‘আমি-আমার’ হয়ে গেছেন। পত্রিকা অনেকে মিলে বের করে, অনেক পাঠকের জন্য। তিনি পাবলিকের। একজন ব্যক্তিগত জীবনে সম্পাদক একা হয়ে পড়েন, দেখেন আমরা নেই, শুধু আমি আছেন। আমি ও আমরার তো রয়েছেই, আমরা ও তোমরার দেয়ালাটাও দাঁড় করানো হয়। পুঁজিবাদী ব্যবস্থা নিজেই সেটা করে, নিজের স্বার্থে। করোনাভাইরাস সীমান্ত ভেঙে ফেলেছে, কিন্তু দেয়াল ভাঙতে পারেনি, উল্টো নতুন দেয়াল তুলে দিয়েছে, নাম যার টিকা জাতীয়তাবাদ।
খুব বেশি দরকার এখন আমিকে আমাদের সঙ্গে যুক্ত করা। মার্টিন লুথার কিং ধ্বনি তুলেছিলেন ‘আই হ্যাভ এ ড্রিম’। প্রাণদীপ্ত গানের মতো সাড়া জাগিয়েছিল তার সে আওয়াজ। কিন্তু কাজ হয়নি। বর্ণবাদী ঘাতকদের গুলিতে মার্টিন লুথারের উদ্দীপ্ত বক্ষ বিদীর্ণ হয়ে গেছে। জোন বায়েজ গেয়েছিলেন, ‘উই স্যাল ওভার কাম’। দরকার ওই গানকে নিয়ে যাওয়া প্যারি কমিউনের সেই গানের কাছে, যার নাম ইন্টারন্যাশনাল। চীনের কমিউনিস্টরা যে-গান গাইতে ভুলছেন, যাতে বোঝা যায় তারা ভুল পথ ধরেছেন। আরও গান লেখা হবে, গাওয়া হবে, প্রত্যেকটি দেশে, নতুন নতুন করে। কিন্তু সব গানের কথাটা হওয়া চাই ওই একই; আমরা পৃথিবীকে বদলাব, নইলে আমাদের কারোই বাঁচার উপায় নেই।
পুঁজিবাদী ব্যাধি নানাভাবে বহুবিচিত্র ক্ষেত্রে বিস্তৃত। বব ডিলান নিপীড়িত মানুষের পক্ষে গান লেখেন, গানে সুর দেন এবং নিজেও গেয়ে থাকেন সেই গান। একাত্তরে বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের পক্ষে বিখ্যাত সেই কনসার্টে তিনিও ছিলেন। সমবেত কণ্ঠে গান গেয়েছেন। সংগীত রচনার জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারও পেয়েছেন তিনি। কিন্তু তার বিরুদ্ধেও অভিযোগ উঠেছে যৌন নিপীড়নের। ষাট বছর আগের এক ঘটনা। সত্য-মিথ্যা আমরা জানি না; সত্য হলেও বব ডিলান যে ক্ষমতা প্রয়োগের ওই সংস্কৃতি থেকে বের হয়ে এসেছেন এটা উৎসাহব্যঞ্জক সত্য। সবাই পারেন না, মেধাবান ও অঙ্গীকারবদ্ধরা পারেন।
অঙ্গীকারটা আজ আরও অধিক প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। পুঁজিবাদ আসলে এখন সর্বত্রই বিস্তৃত এবং অত্যন্ত নৃশংস। কিন্তু এই নৃশংসতাই বলে দিচ্ছে যে তাকে পরাভূত করা চাই। মানবজাতির স্বার্থে; পৃথিবীর সব প্রাণীর স্বার্থে; পৃথিবী নামক গ্রহের স্বার্থেও। পারতেই হবে, না-পেরে উপায় নেই।
ছাব্বিশ দিন কারাগারে ও তিন দফায় রিমান্ডে থাকার পর, অবশেষে পরীমনি মুক্তি পেয়েছেন, জামিনে। সেটা পাওয়াও নিশ্চিত ছিল না। উচ্চ আদালতের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন পড়েছে। কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে বের হয়ে আসার সময়ে হাতের তালুতে পরী লিখেছিলেন, ‘ডোন্ট লাভ মি বিচ্’। সামাজিক মাধ্যমে অনেকে মন্তব্য করেছেন যাদের তিনি ‘কুত্তি’ (বিচ্) বলেছেন ওই লেখাটি তাদের গ-দেশে একটি সশব্দ চপেটাঘাত। আমাদেরও তাই ধারণা কিন্তু একজনের চপেটাঘাতে কী ওই দুর্বৃত্তরা পরাভূত হবে, ভাঙবে কী সে ব্যবস্থা যার জোরে উন্মত্ত পশুদের বীভৎস উৎপাত? ভাঙতে হলে ঐক্য চাই। আন্দোলন চাই।
একটি চলচ্চিত্রে প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের ভূমিকায় পরীমনির অভিনয় করার কথা শুনেছি। চট্টগ্রামের মেয়ে প্রীতিলতা বন্দুক হাতে যুদ্ধ করেছেন, সাম্রাজ্যবাদ-পুঁজিবাদের বিরুদ্ধে। আত্মসমর্পণ করেননি, প্রাণ দিয়েছেন। ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদীরা বিদায় হয়েছে, পাকিস্তানি উপনিবেশবাদীদেরও তাড়ানো গেছে; কিন্তু পুঁজিবাদ-সাম্রাজ্যবাদ আজও আছে। আর আছে যে তার প্রমাণ তো বিদ্রোহী পরীমনির দুর্ভোগই।
ঘটনা বহু ধরনের; সিদ্ধান্ত কিন্তু ওই একটাই। পুঁজিবাদ-সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াইটা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অব্যাহত রাখা চাই।
লেখক ইমেরিটাস অধ্যাপক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
