দাপুটে জয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগে (বিসিএল) নিজেদের মিশন শুরু করেছে ওয়ালটন মধ্যাঞ্চল। প্রথম রাউন্ডের ম্যাচে বিসিবি উত্তরাঞ্চলকে ইনিংস ও ৭০ রানে হারিয়েছে দলটি।
অন্য ম্যাচে ইসলামী ব্যাংক পূর্বাঞ্চলকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে বিসিবি দক্ষিণাঞ্চল।
মধ্যাঞ্চল-উত্তরাঞ্চল
ভেন্যু: চট্টগ্রাম
মধ্যাঞ্চলের পক্ষে টপ অর্ডারের তিন ব্যাটার মোহাম্মদ মিঠুন, মিজানুর রহমান ও সৌম্য সরকার সেঞ্চুরি তুলে নেন। সুবাদে প্রথম ইনিংসে ৩ উইকেটে ৫৬৩ রানের পুঁজি গড়ে দলটি। মিঠুন ২৫৭ বলে সর্বোচ্চ ১৭৬ রান করেন। ২১টি চারের সঙ্গে হাঁকান দুই ছক্কা।
মিঠুনের সমান চার ও তিন ছক্কায় ১৬২ বলে ২৪৩ রান করেন মিজানুর। উদ্বোধনী জুটিতে ৩২৭ রান করেন এই দুজন। শেষ চার বছরে তিনটি তিনশ রানের উদ্বোধনী জুটির অংশ মিজানুর।
সৌম্য সরকার ১৪৮ বলে ১০৪ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন ১০ চার ও ১ ছক্কায়। সালমান হোসেন ও মোসাদ্দেক হোসেন ফিফটি তুলে নেন।
প্রথম ইনিংসে ২১৯ রান করা উত্তরাঞ্চল ৩৪৪ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করে। শেষ পর্যন্ত যারা ২৭৪ রানে গুটিয়ে যায়। অধিনায়ক মার্শাল আইয়ুব সর্বোচ্চ ১০১ রানের ইনিংস খেলেন। তানজিম হাসান খেলেন ৯০ রানের ইনিংস।
মধ্যাঞ্চলের পক্ষে হাসান মুরাদ ৭৪ রান খরচায় ৬ উইকেট নেন। ম্যাচসেরা হয়েছেন মোহাম্মদ মিঠুন ও মিজানুর রহমান।
পূর্বাঞ্চল-দক্ষিণাঞ্চল
ভেন্যু: রাজশাহী
মেহেদি হাসান ও নাসুম আহমেদের দাপুটে বোলিংয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রথম ইনিংস থেমেছিল ২৬০ রানে। মেহেদি ও নাসুম দুজনই ৫ উইকেট করে নিয়েছেন। এরপর জাকির হাসানের ১৫৮ রানে ভর করে ৪২৯ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে দক্ষিণাঞ্চল।
জাকির ২৭৬ বলে ১৫৮ রান করেন ১৯ চার ও ২ ছক্কায়। চতুর্থ উইকেটে যিনি এনামুল হক বিজয়ের সঙ্গে ১২৮ রানের জুটি গড়েন। এনামুলের ব্যাট থেকে আসে ৮৮ রান। এরপর নাসুমের সঙ্গে গড়েন ১০৪ রানের জুটি। ১০ নম্বরে নামা নাসুম খেলেন ৫৯ রানের ইনিংস।
পূর্বাঞ্চলের পক্ষে অফ স্পিনার নাঈম হাসান, এমানুল হক এবং মোহাম্মদ আশরাফুল ৩টি করে উইকেট নেন।
১৬৯ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করা পূর্বাঞ্চল বড় সংগ্রহ গড়তে পারেনি। ২৫৭ রানে অলআউট হয় তারা। সর্বোচ্চ ৮৬ রান আসে আফিফ হোসেনের ব্যাট থেকে।
দক্ষিণাঞ্চলের পক্ষে অফ স্পিনার নাহিদুল ইসলাম ৪ উইকেট নেন। দুটি করে উইকেট নিয়েছেন নাসুম ও মেহেদি।
৮৯ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ২১.৩ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় দক্ষিণাঞ্চল। ম্যাচসেরা হয়েছেন জাকির হাসান।
