তথ্য গোপনসহ ১ কোটি ৪৮ লাখ ৯৪ হাজার ৪১৮ টাকা মূল্যের অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে রাজধানীর মগবাজারের সোনালী ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. নূরুল হক শেখের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
গতকাল রবিবার দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক জেসমিন আক্তার বাদী হয়ে ঢাকার সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি করেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, নূরুল হক শেখের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের একটি অভিযোগ পায় দুদক। অভিযোগ অনুসন্ধানকালে তিনি ২০১৯ সালের ৪ জুলাই দুদকে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেন। এতে তিনি ৩ কোটি ১৮ লাখ ৬৬ হাজার ১৮৪ টাকার স্থাবর সম্পদ থাকার তথ্য দেন। তার মধ্যে ঋণ ৫৪ লাখ ৬০ হাজার ২৬০ টাকা ছিল, যা বাদ দিলে মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ২ কোটি ৭৪ লাখ ৫ হাজার ৯২৪ টাকা।
দুদকের অনুসন্ধানে নূরুল হকের ১৯৮৬-৮৭ থেকে ২০১৮-১৯ অর্থবছর পর্যন্ত ৫ কোটি ২১ লাখ ৫৮ হাজার ৬০৯ টাকা আয়ের তথ্য পাওয়া যায়। তিনি আয়ের মধ্যে ২ কোটি ৭৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে উপহার হিসেবে পাওয়ার তথ্য দেন। কিন্তু দুদকের অনুসন্ধানে উপহারদাতাদের সঠিক কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। মূলত অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদ আত্মীয়স্বজনের উপহার হিসেবে দেখিয়ে তিনি বৈধ করার চেষ্টা করেন। ফলে দুদকের অনুসন্ধানে নূরুল হকের বিরুদ্ধে ১ কোটি ৪৮ লাখ ৯৪ হাজার ৪১৮ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তা ভোগদখলে রাখার অপরাধে মামলা করা হয়।
