পটুয়াখালীর বাউফলে বিশেষ বর্ধিত সভাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল সোমবার বিকাল ৫টার দিকে উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে এক ইউপি চেয়ারম্যানসহ অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। ঘটনার চিত্র ধারণ করতে গিয়ে হেনস্তা ও হামলার শিকার হয়েছেন একাধিক সাংবাদিক।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বাউফল পৌরসভার তফসিল ঘোষণার পর স্থানীয় আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভা চলাকালে দলীয় কার্যালয়ে অবস্থান নেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাংসদ আ স ম ফিরোজের সমর্থক এবং সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান মোতালেব হাওলাদারের কর্মী সমর্থকরা। সেখানেই প্রথমে দুই পক্ষের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। পরে তা রূপ নেয় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে। সংঘর্ষের ঘটনা পরিকল্পিত হামলা উল্লেখ করে এ জন্য আ স ম ফিরোজকে দায়ী করেছেন উপজেলা চেয়ারম্যান মোতালেব হাওলাদার। তিনি বলেন, ‘জরুরি সভায় দল থেকে বহিষ্কৃত চন্দ্রদ্বীপের ইউপি চেয়ারম্যান এনামুল হক আলকাস মোল্লা বক্তব্য দিতে গেলে তাকে বাধা দেই। এতে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে সভায় বিশৃঙ্খলা করেন। সেই ঘটনাই পরে সংঘর্ষে রূপ নেয়।
তবে সাংসদ আ স ম ফিরোজ বলেন, ঘটনাটি দলীয় কার্যালয়ের বাইরে। মোতালেব সাহেব সভায় উপস্থিত থেকেও রেজ্যুলেশনে স্বাক্ষর করেননি। এটি তার একটি পরিকল্পিত হামলা। এজন্য মোতালেব হাওলাদারই দায়ী।
