ক্ষুদ্রশিল্পের ঋণ পরিশোধে ছাড় দিয়ে সার্কুলার জারি

আপডেট : ৩০ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:৪৪ এএম

ছোট ছোট উদ্যোগ যাতে করোনায় ঝরে না পড়ে এ কারণে কুটিরশিল্প, অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি (সিএমএসএমই) খাতের ঋণ পরিশোধে আরও কিছুটা ছাড় দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সিএমএসএমই খাতের অনাদায়ী কিস্তির ১৫ শতাংশ পরিশোধ করলেই খেলাপিমুক্ত থাকতে পারবেন এই খাতের উদ্যোক্তারা।

এ ছাড়া বিশেষ সুবিধা পাওয়া ছোট ঋণে দেড় শতাংশ অতিরিক্ত নিরাপত্তা সঞ্চিতি রাখতে হবে। অন্যান্য ঋণে ব্যাংকগুলোকে অতিরিক্ত ২ শতাংশ নিরাপত্তা সঞ্চিতি সংরক্ষণ করার নিয়ম রয়েছে।

গত মঙ্গলবার ব্যাংকার্স সভায় নেওয়া সিদ্ধান্তের পর গতকাল বুধবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ-সংক্রান্ত আলাদা সার্কুলার জারি করেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে জারি করা সার্কুলারে বলা হয়, ‘ব্যাংকগুলোকে সিএমএসএমই খাতে ঋণ দিতে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে এ খাতে বিতরণকৃত ঋণের বিপরীতে অতিরিক্ত প্রভিশন হিসেবে ২ শতাংশের পরিবর্তে ১ দশমিক ৫ শতাংশ সংরক্ষণ করা যাবে।’

এতে আরও বলা হয়, ‘সিএমএসএমই খাতে বিতরণকৃত ঋণের বিপরীতে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রদেয় কিস্তির ২৫ শতাংশের পরিবর্তে ন্যূনতম ১৫ শতাংশ আদায় হলে উক্ত ঋণ অশ্রেণিকৃত হিসেবে দেখানো যাবে। এ ঋণের ওপর আরোপিত সুদ ব্যাংকগুলো আয় খাতে স্থানান্তর করতে পারবে।’

বৃহৎ শিল্পোদ্যোক্তারাও ঋণ পরিশোধে আরও কিছুটা ছাড় দাবি করছেন। ১৫ ডিসেম্বর এফবিসিসিআই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবিরকে চিঠি দিয়ে খেলাপিমুক্ত থাকার সুবিধা আগামী বছরের জুন মাস পর্যন্ত বাড়ানোর দাবি জানায়।

কিন্তু মঙ্গলবার বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের নিয়ে আলোচনা সভায় গভর্নর জানিয়ে দেন, এই সুবিধা আর বাড়ানো হবে না। তবে খেলাপির হাত থেকে বাঁচাতে সিএমএসএমই খাতে ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন গভর্নর।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত