অসাধারণ ইবাদতে বড় স্বপ্ন নিয়ে দিন শেষ করল বাংলাদেশ

আপডেট : ০৪ জানুয়ারি ২০২২, ১১:৫৫ এএম

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় দিন থেকেই স্বপ্ন উঁকি দিচ্ছিল। চতুর্থ দিন শেষে যে স্বপ্ন আর বাস্তবতার মধ্যে দূরত্ব অনেকটাই কমিয়ে আনল বাংলাদেশ দল। ইবাদত হোসেনের দারুণ বোলিংয়ে কিউইদের মাটিতে টেস্ট জয়ের স্বপ্ন নিয়ে দিন শেষ করল টাইগাররা।

মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে মঙ্গলবার চতুর্থ দিন শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ১৪৭। স্বাগতিকদের লিড মাত্র ১৭ রানের।

প্রথম ইনিংসে কিউইদের ৩২৮ রানের বিপরীতে বাংলাদেশ করেছিল ৪৫৮ রান। পঞ্চম দিন দ্রুতই কিউইদের গুটিয়ে দিতে পারলে এ ম্যাচে বাংলাদেশের জয় সময় ব্যাপার হবে তখন।

ডানহাতি পেসার ইবাদত এখন পর্যন্ত ১৭ ওভার বল করে ৩৯ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন। প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান ডেভন কনওয়েকে ফিরিয়ে সাফল্যের শুরু তার। কিউইদের সবচেয়ে বড় ধাক্কাটা তিনি দিনের শেষ ঘণ্টায়। দুই ওভারের মধ্যে তুলে নেন ৩ উইকেট।

ম্যাচের নিয়ন্ত্রণটা কিউইদের হাতে চলে যাচ্ছে এমন মনে হওয়ার মুহূর্তেই ফিফটি তুলে নেওয়া উইল ইয়ংকে ফেরান ইবাদত। এক বল পরই ফিরিয়ে দেন হেনরি নিকোলসকে। পরের ওভারে তুলে নেন টম বান্ডেলকেও। নিকোলস ও বান্ডেল রানের খাতা খুলতে পারেননি। উইল ইয়ং দিনের সর্বোচ্চ ১৭২ বলে ৬৯ রান করেন।

দিনের দ্বিতীয় সেশনে বাংলাদেশ পেয়েছিল দুটি সাফল্য। ১৪ রান করা টম ল্যাথামকে ফিরিয়েছিলেন তাসকিন আহমেদ। পরে ১৩ রান করা কনওয়েকে ফেরান ইবাদত।

রস টেলর ৩৭ ও রাচিন রবীন্দ্র ৬ রানে দিন শেষ করেছেন। বলতে গেলে রস টেলরই এখন বাংলাদেশের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়ে আছেন।

তবে এই ম্যাচের চার দিনের তিন দিনই আধিপত্য দেখিয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম দিনটা শুধু দুই দল ছিল সমানে সমান। সেই বিবেচনায় এই ম্যাচে বাংলাদেশ জয়ের যোগ্য দাবিদার। এ জন্য শেষ দিনে টাইগারদের নিজেদের কাজটা শুধু ঠিকঠাক করলেই হবে।

বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস শেষ হয় এদিন সকালে। ৬ উইকেটে ৪০১ রান নিয়ে নতুন দিনের খেলা শুরু করে সফরকারীরা। এদিন আর ২০.২ ওভার খেলতে পেরেছে টাইগাররা। যোগ করেছে আর ৫৭ রান।

মেহেদী হাসান মিরাজ ৪৭ ও ইয়াসির আলী ২৬ রান করেন। দুজন যথাক্রমে ২০ ও ১১ রান নিয়ে চতুর্থ দিন শুরু করেছিলেন। তাসকিন আহমেদ ৫ ও শরিফুল ইসলাম ৭ রান করেছেন। সাউদি ৪ উইকেট নিয়ে প্রথম ইনিংসে কিউইদের সবচেয়ে সফল বোলার। ৩ উইকেট নিয়েছেন নিল ওয়াগনার।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত