পঞ্চম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের ভোটের দিন গোলযোগ ও সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনা স্বত্বেও নির্বাচন কমিশনের দাবি, ‘নির্বাচন ভালো হয়েছে’।
বুধবার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ৭০৮টি ইউপিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন এলাকায় সংঘর্ষসহ, এখন পর্যন্ত অন্তত নয়জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। এদিন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ৭০৮টি ইউনিয়ন পরিষদে ভোট হয়।
দিনভর গোলযোগ ও সংঘর্ষে হতাহতের খবরের মধ্যে ভোটগ্রহণ শেষে বিকেলে নির্বাচন কমিশনের সচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার সাংবাদিকদের বলেন, বিচ্ছিন্ন কয়েকটি ঘটনা ছাড়া ভালো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
নির্বাচন ভবনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে ইসি সচিব আশা করে বলেন, পঞ্চম ধাপের ইউপি নির্বাচনে ৭০ শতাংশের বেশি ভোট পড়তে।
তিনি বলেন, ‘প্রিজাইডিং কর্মকর্তার নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত হওয়ায় নয়টি কেন্দ্রের ভোট স্থগিত করা হয়েছে। এ কয়টি কেন্দ্র ছাড়া পুরো দেশে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট হয়েছে।’
তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত যেটুকু হয়েছে তাতে আমরা বলবো ভালো নির্বাচন হয়েছে। সামনে যে নির্বাচন হবে সেটি আরও ভালো হবে আশা করি।”
দেশ রূপান্তরের প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরে দেখা যায় দেশের বিভিন্ন স্থানে পঞ্চম ধাপের ভোটের দিনের সহিংসতায় অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন। এখন পর্যন্ত বগুড়ায় ৪, চাঁদপুরে ২, নওগাঁয় ১, মানিকগঞ্জে ১, চট্টগ্রামে ১ ও গাইবান্ধায় ১ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সাংবাদিকরা ভোটের দিনে সহিংসতায় হতাহতের তথ্য তুলে ধরে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে ইসি সচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার বলেন, ‘খুবই দুঃখজনক, বেদনাদায়ক ও কাঙ্খিত নয়।’
তিনি বলেন, ‘আমরা প্রার্থীদের অনুরোধ জানাব, জয়ী বা পরাজিত হলে ফলাফল যেন মেনে নেন। তারা যেন অতি আবেগি না হয়ে যান। এটিই আমাদের প্রত্যাশা।’
