সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪৫ প্রধান শিক্ষককে দশম গ্রেড পদমর্যাদায় উন্নীত করতে হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছিল সেটি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগেও বহাল রয়েছে। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে করা রাষ্ট্রপক্ষের লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) গতকাল বৃহস্পতিবার খারিজ করে দিয়েছে প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বে গঠিত আপিল বিভাগ।
সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা জানান, প্রধান শিক্ষকের পদটি দ্বিতীয় শ্রেণির হলেও তাদের মধ্যে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা ১১তম গ্রেডে ও প্রশিক্ষণবিহীন প্রধান শিক্ষকরা ১২তম গ্রেডে বেতন পেয়ে আসছেন। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি রিয়াজ পারভেজসহ ৪৫ জন শিক্ষকের করা একটি রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট ওই ৪৫ শিক্ষকের পদমর্যাদা জাতীয় বেতন স্কেল অনুযায়ী দশম গ্রেডে উন্নীত করতে এবং দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা হিসেবে অফিসিয়াল গেজেটে অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দেয়। পরে হাইকোর্টের এ রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। গতকাল আপিল বিভাগে সেই আপিল খারিজ হলো।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সমরেন্দ্র নাথ বিশ্বাস। রিট আবেদনকারীদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী সালাহউদ্দিন দোলন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সমরেন্দ্র নাথ বিশ্বাস দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘৪৫ জন প্রধান শিক্ষককে দশম গ্রেডে উন্নীত করার নির্দেশনা ছিল হাইকোর্টের রায়ে। আমরা আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল করেছিলাম। আদালত সেটি খারিজ করে দিয়েছে। ফলে হাইকোর্টের রায় বহাল রয়েছে।’
রিট আবেদনকারীর পক্ষের অ্যাডভোকেট সালাহউদ্দিন দোলন দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদটি দ্বিতীয় শ্রেণির হলেও তাদের নাম দশম গ্রেডের তালিকায় আসেননি। এই ৪৫ জনের বিষয়ে রিট আবেদনের পর হাইকোর্ট তাদের দশম গ্রেডের সুযোগ সুবিধা দিতে নির্দেশ দেয়।’
