ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য কর্নাটকে মুসলিম ছাত্রীদের হিজাব পরার ওপর নিষেধাজ্ঞার জেরে সরব হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটি বলছে, কর্নাটকে মুসলিম ছাত্রীদের হিজাব পরার ওপরে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া ধর্মীয় স্বাধীনতার লঙ্ঘন।
আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা বিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের দূত অ্যাট-লার্জ রাশাদ হুসেইন টুইটারে দেওয়া এক বার্তায় বলেছেন, হিজাবে নিষেধাজ্ঞা (মুসলিম) নারীদের কলঙ্কিত করবে এবং আরও দূরে ঠেলে দেবে। তার ভাষায়, ‘ধর্মীয় স্বাধীনতার মধ্যে একজনের ধর্মীয় পোশাক বেছে নেওয়ার ক্ষমতাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।’
ভারত সরকার বাইডেন প্রশাসনের সেই কর্মকর্তার এই মন্তব্যের পর সরব হয়। হিজাবকাণ্ডে চলমান বিতর্ক ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় দাবি করে রাশাদ হুসেইনের বক্তব্যকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলেও আখ্যায়িত করে খোদ ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বিষয়টি ইতিমধ্যে আদালতে মীমাংসার অপেক্ষায় আছে বলেও জানায় দিল্লি।
ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কোনো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মন্তব্য কখনোই কাম্য নয় বলে ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি। এক টুইট বার্তায় তিনি বলেন, ‘আমাদের সাংবিধানিক কাঠামো ও প্রক্রিয়ার সঙ্গে আমাদের গণতান্ত্রিক ও রাষ্ট্রনীতির আদর্শ হলো সমস্যাগুলো বিবেচনা করা এবং তার সমাধান করা। যারা ভারতকে ভালোভাবে জানেন, তারা এই বাস্তবতা ‘যথাযথ ভাবে’ উপলব্ধি করতে পারবেন।’
প্রসঙ্গত, ভারতে টানা প্রায় গত এক মাসের বেশি সময় ধরে কর্নাটকের বিভিন্ন স্কুল কলেজে একদিকে হিজাব পরে ক্লাস করার অনুমতির দাবিতে আন্দোলন করছেন মুসলিম ছাত্রীরা।
