পোশাকের সাফল্য অন্য শিল্পেও আনতে চায় দ. কোরিয়া

আপডেট : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০১:৩৭ এএম

বাংলাদেশে শতভাগ রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্পের যাত্রা শুরু হয়েছিল দক্ষিণ কোরিয়ার হাত ধরে। চার দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা এ শিল্পটিই এখন দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান উৎস। দেশের রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশের বেশি আসে তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে। এ খাতে বাংলাদেশ-কোরিয়ার সাফল্য এবার অন্য শিল্পে বিকশিত করতে আগ্রহী দক্ষিণ কোরিয়া। গতকাল এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এ আগ্রহের কথা জানান ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত লি জ্যাং কিউন।

কোরিয়ান কোম্পানি দাইয়ুর সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয় দেশ গার্মেন্টস। ১৩০ জন কর্মী-কর্মকর্তাকে দক্ষিণ কোরিয়ায় নিয়ে দেওয়া হয় ছয় মাসের প্রশিক্ষণ। সেই প্রশিক্ষণ পাওয়াদের অনেকেই এখন পোশাক কারখানার মালিক। বাংলাদেশে এ খাতে বিনিয়োগ করেছেন অনেক কোরিয়ান উদ্যোক্তাও।

এফবিসিসিআই কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সৌজন্য সাক্ষাতে রাষ্ট্রদূত লি জ্যাং কিউন জানান, ২০২২ সালে বাংলাদেশ-দক্ষিণ কোরিয়ার কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে দুদেশের সম্পর্ককে নতুন মাত্রায় নিতে চায় সিউল। এজন্য তৈরি পোশাকের বাইরে অন্যান্য খাতেও কোরিয়ান বিনিয়োগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

সাক্ষাতে এফবিসিসিআই সভাপতি কোরিয়াকে বাংলাদেশের অবকাঠামো খাত ও ম্যানমেড ফাইবার খাতে বিনিয়োগর আহ্বান জানান। সভাপতি বলেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিশাল বাজার, ক্রমবর্ধমান রপ্তানি, বিদ্যুৎ ও অবকাঠামোর সহজপ্রাপ্যতা সরকারি নীতি সহায়তা ও বিপুল সংখ্যক কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর কারণে বিদেশি বিনিয়োগের সুবর্ণ সময় পার করছে। যে দেশ এই সুযোগ কাজে লাগাবে তারাই লাভবান হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত