খালেদার মুক্তির মেয়াদ বাড়াতে আবেদন শিগগির

আপডেট : ১২ মার্চ ২০২২, ০৬:৩৭ এএম

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ আগামী ২৪ মার্চ শেষ হচ্ছে। তার মুক্তির মেয়াদ বাড়াতে পরিবারের পক্ষ থেকে শিগগির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হবে। গতকাল শুক্রবার দেশ রূপান্তরকে এ কথা জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এদিকে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে বলে দলীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে। দেশে করোনা মহামারী শুরু হলে ২০২০ সালের ২৫ মার্চ দুই শর্তে সাজা স্থগিত করে সরকারের নির্বাহী আদেশে ৬ মাসের জন্য মুক্তি দেওয়া হয় খালেদা জিয়াকে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারার উপধারা ১-এ সাজা স্থগিত করার মেয়াদ এ পর্যন্ত চার দফা বাড়ানো হয়েছে।

গত বছরের ১১ এপ্রিল করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন খালেদা জিয়া।

পরে ওই বছরের ১৯ জুলাই রাজধানীর মহাখালীর শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালে তিনি করোনার টিকার প্রথম ডোজ নেন।

এরপর ১৮ আগস্ট টিকার দ্বিতীয় ডোজ নেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। 

গত ২৩ ফেব্রুয়ারি বুস্টার ডোজ নেন খালেদা জিয়া।

শারীরিক নানা জটিলতায় ভুগছেন ৭৬ বছর বয়সী খালেদা জিয়া। এভার কেয়ার হাসপাতালে দীর্ঘ ৮০ দিন চিকিৎসা শেষে গত ১ ফেব্রুয়ারি গুলশানের বাসায় ফেরেন তিনি।

বিএনপি চেয়ারপাসনের উপদেষ্টা পরিষদের এক সদস্য দেশ রূপান্তরকে বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশের বাইরে আছেন। তিনি দেশে ফিরলে চেয়ারপারসনের পরিবারের পক্ষ থেকে সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করা হবে। সে জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের একজন দেশ রূপান্তরকে বলেন, দলের গঠিত মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসকরা নিয়মিত চেয়ারপারসনকে দেখতে যান। তার শারীরিক অবস্থার তেমন কোনো উন্নতি হয়নি। হাসপাতাল থেকে ফেরার সময় যেমনটা ছিলেন এখনো তেমনই আছেন।

খালেদা জিয়ার সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে তার মেজো বোন সেলিমা ইসলাম দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘খালেদা জিয়ার শরীরে ব্যথা রয়েছে। একা চলাফেরা করতে পারেন না। ব্যক্তিগত সহকারীদের সহযোগিতায় চলাফেরা করতে হয় তার।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘চেয়ারপারসনের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। চিকিৎসকরা নিয়মিত তার খোঁজখবর রাখছেন। নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত