কানাডার ‘বেগমপাড়ায়’ বস্তা ও ট্রাঙ্কে করে অর্থ পাচারের জন্য ঢাকা-টরন্টো সরাসরি ফ্লাইট চালু করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বর্তমান সংসদে জনগণের কোনো প্রতিনিধি নেই বলে তাদের দুর্ভোগ, সরকারের দুর্নীতি নিয়ে কোনো প্রশ্ন ওঠে না।’ গতকাল সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে অ্যাসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের (অ্যাব) আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল।
সাবেক এই বিমান প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ভর্তুকি দিয়ে টরন্টো ফ্লাইটের ট্রায়াল হয়েছে, শিগগিরই নিয়মিত হবে। বিমানের কর্মকর্তারাই বলছেন, ‘এ ফ্লাইট কেন চালু করা হলো আমরাও জানি না। কোনোভাবেই এটি কার্যকর (ভায়াবল) ফ্লাইট নয়। আসলে বেগমপাড়ায় যাতায়াতের সুবিধা ও টাকা পাচারের জন্য এটি চালু করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা ভয়াবহ অবস্থার মধ্যে আছি। দেশে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির মতো দুর্নীতির সঠিক পরিসংখ্যান আঁতকে ওঠার মতো। মানুষ দিনরাত পরিশ্রম করে উপার্জন করছেন দেশটা গড়তে। অথচ দেশের শত শত কোটি টাকা বিদেশে পাচার হচ্ছে।’
ডিএমপি কমিশনার শফিকুল ইসলামের সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আওয়ামী লীগই শেষ সরকার নয়। অবশ্যই এ সরকারের পরিবর্তন হবে। শিষ্টাচারবহির্ভূত মন্তব্যের জন্য আপনাদের হিসাব দিতে হবে। সরকারি কর্মকর্তা হয়েও রাজনৈতিক, অশালীন ও শিষ্টাচারবহির্ভূত কথা তিনি কীভাবে বলতে পারেন, তা আমরা চিন্তাও করতে পারছি না।’
তিনি আরও বলেন, ‘সরকারের বেআইনি হুকুম তালিম করতে গিয়ে আপনারা প্রতিষ্ঠানকে নিষেধাজ্ঞার আওতায় নিয়ে এসেছেন। বাংলাদেশের জনগণ এটাতে লজ্জিত। আমাদের জন্যও লজ্জার। আমাদের একটি প্রতিষ্ঠানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে, তাও মানবাধিকার লঙ্ঘনের কারণে।’
প্রকৌশলী আ ন হ আখতার হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন অ্যাব সহসভাপতি প্রকৌশলী মো. রিয়াজুল ইসলাম রিজু।
