জয়ের জন্য শেষ ওভারে মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের দরকার ছিল ২৬ রান। স্ট্রাইকে কাইরন পোলার্ড। কিন্তু দুষ্মন্ত চামিরার করা প্রথম বলে রান-আউট নন-স্ট্রাইকে থাকা জয়দেব উনাডকাট।
মুরুগান অশ্বিন এসে পরের বলে হাঁকালেন ছয়। তবে তৃতীয় বলে তিনিও সাজঘরে। শেষ তিন বলে ১৯ রান আর নিতে পারেননি পোলার্ড। পঞ্চম বলে তিনিও ফিরলেন স্টয়নিসের হাতে বন্দী হয়ে।
লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টও জিতল ১৮ রানে। টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে অধিনায়ক-ওপেনার লোকেশ রাহুলের রেকর্ড গড়া সেঞ্চুরিতে ৪ উইকেটে ১৯৯ রান করে লক্ষ্ণৌ। জবাবে ৯ উইকেটে ১৮১ রানে থামে মুম্বাই।
ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকে ঝড় তোলে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন রাহুল। তার ৬০ বলে ১০৩ রানের ইনিংসটি সাজানো ছিল ৯ চার ও ৫ ছয়ে। আইপিএল ইতিহাসে একমাত্র ব্যাটার হিসেবে শততম ম্যাচে সেঞ্চুরি পেলেন তিনি। রাহুলের আগে টুর্নামেন্টে শততম ম্যাচ খেলেছেন মোট ৪৮ জন।
আইপিএলে এ নিয়ে তিনটি সেঞ্চুরি (১৩২, ১০০ ও ১০৩) পেলেন রাহুল। তিনটিতেই অপরাজিত ছিলেন তিনি। ভারতের প্রথম ব্যাটার হিসেবে এই টুর্নামেন্টে তিনটি অপরাজিত সেঞ্চুরি হাঁকানোর রেকর্ড গড়লেন রাহুল। আইপিএলে তারচেয়ে বেশি সেঞ্চুরি আছে কেবল ক্রিস গেইল, বিরাট কোহলি, ডেভিড ওয়ার্নার ও শেন ওয়াটসনের।
এই জয়ে ৬ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার দুইয়ে উঠে এলো আইপিএলের নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। এক ম্যাচ কম খেলে সমান পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আরেক নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি গুজরাট টাইটান্স।
অন্যদিকে এ নিয়ে টানা ৬ ম্যাচে হারল মুম্বাই। এখনো পয়েন্টের খাতা খুলতে না পারা রোহিত শর্মার দল আছে তালিকার তলানিতে।
