মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখান উপজেলার ভুইরা গ্রামে ইউপি সদস্যের বাড়িতে প্রতিপক্ষের হামলায় টেঁটাবিদ্ধসহ অন্তত আটজন আহত হয়েছে। এ সময় ছয়টি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়। গতকাল বুধবার সকাল ৯টার দিকে বয়রাগাদি ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য শামসুল ইসলাম মন্ডলের বাড়িতে এ হামলার ঘটনা ঘটে। শামসুল ইসলাম এ ঘটনায় গত নির্বাচনে পরাজিত ইউপি সদস্য প্রার্থী মোহাম্মদ আলী ও সফিউদ্দিন মোল্লাকে দায়ী করেছেন। হামলায় টেঁটাবিদ্ধ কামাল মন্ডল ও ইয়াসমিন বেগমকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া হামলায় আহত আরবালী মোল্লা, বিল্লাল হোসেন মন্ডল ও আনোয়ার হোসেন মন্ডলসহ অন্যদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
স্থানীয়রা জানায়, গত বছর ২৬ ডিসেম্বর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য পদে জয়ী হন শামসুল ইসলাম মন্ডল। পরাজিত হন মোহাম্মদ আলী ও সফিউদ্দিন মোল্লা সফি নামে দুই ইউপি সদস্য প্রার্থী। ওই পরাজয়ের জের ধরেই গতকাল সকালে বিজয়ী ইউপি সদস্য ও তার স্বজনদের বাড়িতে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে।
ইউপি সদস্য শামসুল ইসলাম মন্ডল বলেন, ‘গত মঙ্গলবার রাতে মোহাম্মদ আলী ও শফিউদ্দিন মোল্লা লোকজন আমার ছোট ভাইয়ের স্ত্রীকে মারধর করে। তাকে নিয়ে আমি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছুটে যাই। গতকাল সকালে মোহাম্মদ আলী ও শফিউদ্দিন মোল্লা লোকজন ভাড়া করে এনে আমার সমর্থক ও আমার পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা করে। এতে অনেকেই আহত হয়েছে। অনেক বাড়িঘরে ভাঙচুর-লুটপাট করেছে।’ এ ব্যাপারে মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে শামসুল মেম্বারের সমর্থক ও পরিবারে সদস্যরা যে অভিযোগ করেছে তা সত্য নয়। এখানে আমার কোনো লোক মারামারিতে ছিল না।’ যোগাযোগের চেষ্টা করে শফিউদ্দিন মোল্লার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।
সিরাজদীখান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আজগর হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। বর্তমানে সেখানকার পরিস্থিতি শান্ত। তবে এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি।
