প্রতিদিন এক লাখ জনকে দেওয়া হচ্ছে বুস্টার ডোজ

আপডেট : ১১ মে ২০২২, ০১:৫৯ এএম

সরকার করোনা টিকার তৃতীয় বা বুস্টার ডোজ দেওয়ায় গতি এনেছে। গত ১০ দিন ধরে গড়ে প্রতিদিন ১ লাখের বেশি বুস্টার ডোজ দেওয়া হচ্ছে। এ নিয়ে গত সোমবার পর্যন্ত মোট ১ কোটি ৩১ লাখ ৭ হাজার ৩৩৭ জনকে বুস্টার ডোজ দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছে এমন জনসংখ্যার ১১ শতাংশকে বুস্টার ডোজ দেওয়া শেষ হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, কিছুদিন আগে প্রধানমন্ত্রী একটি নির্দেশনা দিয়েছেন। সেখানে তিনি টিকার বুস্টার ডোজ কার্যক্রমকে আরও বেগবান করার জন্য বলেছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সে অনুযায়ী বুস্টার ডোজে গতি এনেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, সরকার মোট জনসংখ্যার ৭০ শতাংশ অর্থাৎ ১১ কোটি ৯২ লাখ ২১ হাজার ৯৫৩ জনকে করোনার টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। ইতিমধ্যেই প্রথম ডোজের লক্ষ্যমাত্রা পেরিয়ে গেছে। গত সোমবার পর্যন্ত প্রথম ডোজ পেয়েছে লক্ষ্যমাত্রার জনসংখ্যার চেয়ে ৮ শতাংশ বেশি, অর্থাৎ ১০৮ শতাংশ মানুষ এবং মোট জনসংখ্যার ৭৫ দশমিক ৫০ শতাংশ। দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছে লক্ষ্যমাত্রার ৯৮ শতাংশ ও মোট জনসংখ্যার ৬৮ শতাংশ।

গত ১০ দিন ধরে দৈনিক গড়ে ১ লাখ ৭ হাজার ৬০৩ জনকে বুস্টার ডোজ দেওয়া হচ্ছে। সর্বশেষ গত সোমবার বুস্টার ডোজ পেয়েছে ৯৭ হাজার ২৫২ জন। এর আগে গত ৫ মে ৬৭ হাজার ৮০২, ৭ মে ৫৩ হাজার ৯০৮ ও ৮ মে ৮৯ হাজার ১০ জনকে বুস্টার ডোজ দেওয়া হয়।

অবশ্য গত মাসের শেষের ৬ দিন দৈনিক বুস্টার ডোজের সংখ্যা ১ লাখ ছাড়িয়ে যায়। সর্বশেষ ৩০ মে দেওয়া হয় ১ লাখ ৫ হাজার ৪৫৬ ডোজ। এই ৬ দিনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বুস্টার ডোজ দেওয়া হয় ২৮ মে, ১ লাখ ৫৩ হাজার ২১৯ ডোজ। 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের টিকার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি বুস্টার ডোজ হিসেবে দেওয়া হয়েছে অ্যাস্ট্রাজেনেকা টিকা ৫৬ লাখ ৭৫ হাজার ৬৫৯ ডোজ, মডার্না ৪৩ লাখ ৬৮ হাজার ৯৯৬ ডোজ ও ফাইজার ৩০ লাখ ৬২ হাজার ৫৮৩ ডোজ।

২০২১ সালের ২৭ জানুয়ারি টিকার নিবন্ধন শুরু হয়। টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয় ৭ ফেব্রুয়ারি। ১৮ বছর বয়সী যেকোনো মানুষ এখন করোনার টিকা নিতে পারছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত