সামুদ্রিক মাছ নিয়ে গবেষণা চান পরিকল্পনামন্ত্রী

আপডেট : ১৬ মে ২০২২, ০১:০০ এএম

বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের পোশাক খাত আকাশে উঠেছে। পোশাকের নির্ভরতা কমিয়ে মাছসহ অন্যান্য সব ক্ষেত্রে গবেষণা করতে হবে। আমরা গবেষণার জন্য টাকা নিয়ে বসে আছি। গতকাল রবিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘মডার্ন কমার্শিয়াল প্রডাকশন অব সিবাস, প্রসপেক্টস ফর বাংলাদেশ অ্যান্ড শেয়ারিং অব লেসন ফর্ম রিজিয়নাল বেস্ট প্র্যাকটিস’ শীর্ষক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেছেন, আমাদের আয়ের জন্য যেমন ভোগের জন্য চারদিকে নজর রাখতে হবে। তেমনি মাছ উৎপাদনসহ নানা বিষয়ে গবেষণা করতে হবে। ভেটকি মাছের গবেষণা করতে হবে যাতে করে তা বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন ও মিঠা পানিতে চাষ করা যায়।

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, মাছ নিয়ে আপনারা গবেষণা করেন। আমাদের বেশি বেশি গবেষণা দরকার। এ বিষয়ে  প্রকল্প নিয়ে আসেন, অনুমোদন করে দেব। তবে কিছু ধাপ আছে, সেগুলো পার হতে হবে। কারণ, জনগণের টাকা চাইলেই পাওয়া যাবে না, জবাবদিহি আছে। সুতরাং বিধিবিধান মেনে গবেষণার জন্য টাকা নিতে হবে।

তিনি বলেন, ভোগ ও ব্যয়ের জন্য চারদিকে খবর রাখতে হবে। আমরা পোশাক রপ্তানিতে আকাশে উঠে গেছি। এটার ওপর নির্ভরতা কমিয়ে অন্যদিকেও নজর দিতে হবে। মাছ চাষ করেও বেশি বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব। আমরা মাছে-ভাতে বাঙালি। আরও বেশি করে মাছের চাষ করতে হবে। শুধু পুকুর বা খাল নয়, মাছ আহরণে বঙ্গোপসাগরেও নজর রাখতে হবে। ভেটকি মাছের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে এম এ মান্নান বলেন, ভেটকি মাছ পুষ্টি, স্বাদ ও উচ্চমূল্যের জন্য চাষিদের কাছে আকর্ষণীয়। এ নিয়ে নিয়মিত গবেষণা চালিয়ে যেতে হবে। তা ছাড়া লবণাক্ত পানির স্বল্পতাও রয়েছে। ভেটকি মাছের প্রজনন এবং দ্রুত বৃদ্ধির জন্য লবণাক্ত পানি অত্যাবশ্যক। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মৎস্য বিজ্ঞানীরা আরও বেশি বেশি গবেষণা করবেন।

এ সময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী বলেন, চিংড়ি যেমন বাংলাদেশের একটি সম্ভাবনাময় খাত, ঠিক তেমনি ভেটকি মাছের বাণিজ্যিক চাষ আরেকটি সম্ভাবনাময় খাত হতে পারে। এর মাধ্যমে অনেক কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হতে পারে। বাংলাদেশে প্রাকৃতিকভাবে এই মাছের উৎপাদন হচ্ছে, তবে তা খুবই কম।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত