দশ মাসে সাড়ে ২৮ কোটি টাকা রাজস্ব ঘাটতি

আপডেট : ১৮ মে ২০২২, ১১:৩৩ পিএম

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের জুলাই থেকে এপ্রিল পর্যন্ত গত ১০ মাসে রাজস্ব ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৮ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। অর্থবছরের এই দশ মাসে বন্দর থেকে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৮১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা, কিন্তু এর বিপরীতে আহরণ হয়েছে ৩৫৩ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। তবে অর্থবছরের বাকি সময়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব বলে আশা করছে শুল্ক কর্র্তৃপক্ষ।

হিলি স্থল শুল্ক স্টেশন কার্যালয় থেকে পাওয়া তথ্যানুযায়ী, বিগত ২০২০-২১ অর্থবছরে হিলি স্থলবন্দরে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বাড়তি ৮৭ কোটি টাকা রাজস্ব আহরণ। যার কারণে চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরে হিলি স্থলবন্দর থেকে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়ে ৪৫৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা নির্ধারণ এনবিআর। চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের দশ মাসে বন্দর থেকে ৩৫৩ কোটি ৪৫ লাখ টাকা রাজস্ব আহরণ হয়েছে। অন্যদিকে বিগত ২০২০-২১ অর্থবছরের একইসময়ে রাজস্ব আহরণ হয়েছিল ৩৫০ কোটি টাকা। সে হিসাবে বিগত অর্থবছরের তুলনায় চলতি অর্থবছরের একই সময়ে ৩ কোটি ৪৫ লাখ টাকা বেশি আহরণ হয়েছে। প্রবৃদ্ধির হিসাবে যা দশমিক ৯০ শতাংশ।

লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রাজস্ব আহরণ না হওয়ার কারণ প্রসঙ্গে হিলি স্থল শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা এস এম নুরুল আলম খান দেশ রূপান্তরকে বলেন, বিগত অর্থবছরে রেয়াতি হারে চাল আমদানির সুযোগ দেওয়ায় বন্দর দিয়ে পর্যাপ্ত পরিমাণে চাল আমদানি হয়েছিল। যার কারণে সে সময় বাড়তি পরিমাণ রাজস্ব আহরণ হয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে চাল আমদানিতে শুল্কহার বৃদ্ধি থাকায় বন্দর দিয়ে চাল আমদানি পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। তবে অর্থবছরের বাকি সময়ে এনবিআর নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের আশা করছেন জানিয়ে রাজস্ব কর্মকর্তা নুরুল আলম খান বলেন, ‘অর্থবছরের শেষ দুই মাসে বন্দর দিয়ে সাধারণ সব ধরনের পণ্যের আমদানি বৃদ্ধি পায়। সেই ধারা যদি চলতি অর্থবছরের বাকি দুই মাসে অব্যাহত থাকে, বন্দর দিয়ে সবধরনের পণ্য আমদানি বৃদ্ধি পায় তাহলে রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি পাবে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত