স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, ‘মাদক রোধে কঠোর হতে কঠোরতর হতে হবে, অপরাধীদের কোনো দলীয় পরিচয় নেই। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স বাস্তবায়ন করতে হবে।’ গতকাল শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে কক্সবাজারের রামু বিজিবি রিজিয়ন মাঠে মাদকদ্রব্য ধ্বংসকরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘বিজিবি সীমান্তে মাদক ও মানব পাচার রোধে কাজ করছে। আমাদের দেশে মাদকসেবীর ৫০ শতাংশ হচ্ছে তরুণ। আমাদের ২৪ প্রকার মাদক আসে পার্শ্ববর্তী দেশ মিয়ানমার থেকে। বিজিবি সদস্যরা দেশের জন্য দুঃসাহসিক কাজ করে যাচ্ছে।’ তিনি বলেন, ‘মাদকের সঙ্গে জড়িতরা যে দলের হোক, তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে।’
অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. আখতার হোসেন বলেন, ‘দেশকে মাদকমুক্ত করতে বিজিবি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বিশেষ করে নির্বাচন থেকে শুরু করে দেশের দুর্যোগকালীন সময়ে বিজিবি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।’
বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদ বলেন, ‘মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন ও সার্বজনীন প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। সীমান্তে মাদক পাচার রোধে বিজিবি সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত।’
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার সদর-রামু আসনের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল, মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনের সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য কানিজ ফাতেমা মোস্তাক, কক্সবাজার ত্রাণ ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন কমিশনার রেজোয়ান হায়াত, কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ প্রমুখ।
