শেখ হাসিনার কারামুক্তি গণতন্ত্রেরই মুক্তি : তথ্যমন্ত্রী

আপডেট : ১২ জুন ২০২২, ০৩:১৩ এএম

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস নয়, এটি প্রকৃতপক্ষে গণতন্ত্রের মুক্তি দিবস বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেছেন, ‘২০০৭ সালের ১৬ জুলাই গ্রেপ্তারের পর বঙ্গবন্ধুকন্যার মুক্তির জন্য সারা দেশে আন্দোলন এবং অন্যায়ভাবে তাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি বিশ^ব্যাপী তুলে ধরার ফলে আন্তর্জাতিক চাপÑ এ দুইয়ের কারণে তত্ত্বাবধায়ক সরকার মুক্তি দিতে বাধ্য হয়েছিল। ২০০৮ সালের ১১ জুন গণতন্ত্রের মানসকন্যা শেখ হাসিনা বীরের বেশে কারামুক্ত হন, অবরুদ্ধ গণতন্ত্র মুক্তি পায় এবং সে কারণেই এ দিনটি শুধু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস নয়, এটি প্রকৃতপক্ষে গণতন্ত্রের মুক্তি দিবস।’

গতকাল শনিবার বিকেলে রাজধানীর মিন্টো রোডে মন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন থেকে অনলাইনে নিজ নির্বাচনী এলাকা চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত ‘১১ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস’ উপলক্ষে আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তারের প্রায় দেড় মাস পর বেগম জিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। তা ছাড়া, এর আগে ক্ষমতায় ছিল বিএনপি-জামায়াত। তারা দেশকে লুটপাট, দুর্নীতি, সন্ত্রাসের অভয়ারণ্য বানিয়ে পরপর পাঁচবার দুর্নীতিতে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন বানিয়েছিল। আর দুর্নীতির বিরুদ্ধে সেøাগান দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়া তত্ত্বাবধায়ক সরকার তাদেরই গ্রেপ্তার করার কথা। কিন্তু গণতন্ত্রের মানসকন্যা শেখ হাসিনাকেই আগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করার পর আমাদের অনেক নেতা দ্বিধান্বিত ছিলেন, অনেক নেতা নিশ্চুপ ছিলেন, অনেক নেতা ভিন্ন সুরে কথা বলেছেন। কিন্তু সারা দেশে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ ছিল, শেখ হাসিনার মুক্তির জন্য আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল।’

বেগম জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, ‘বেগম জিয়াকে শুধু বিদেশে নেওয়ার ধুয়া না তুলে তার সুস্থতার দিকেই বিএনপি নেতারা মনোযোগ দেবেন বলে আশা করি। কারণ এর আগেও তারা যখন বেগম জিয়ার জীবন সংকটাপন্ন বলেই চলেছিলেন, তার মধ্যেই তিনি সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন। আমাদের চিকিৎসকরা মেধাবী এবং গত সাড়ে ১৩ বছরে দেশে চিকিৎসাব্যবস্থা অনেক উন্নত হয়েছে, বিত্তশালীরাও এখন দেশে চিকিৎসা নেন।

রাঙ্গুনিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মুক্তিযোদ্ধা চৌধুরী কুতুব উদ্দিন হারুনীর সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার শামসুল আলম তালুকদার, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এমরুল করিম রাশেদ প্রমুখ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত