কোরবানির মাংস ভাগাভাগি নিয়ে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা ও হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়েছেন। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। কোরবানির পশুর মাংস ভাগাভাগি নিয়ে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, জগন্নাথপুর উপজেলার গোতগাঁও গ্রামের যুক্তরাজ্য প্রবাসী শাহীন মিয়া যুক্তরাজ্যে একটি চ্যারিটি সংস্থার মাধ্যমে গোতগাঁও গ্রামে হযরত মা ফাতেমা (রা.) মাদ্রাসায় ৩৫টি গরু দান করেন। গরুগুলোর কোরবানির পর মাংস ভাগাভাগি নিয়ে জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের গোতগাঁও গ্রামের শামীম মিয়া ও নবীগঞ্জ উপজেলার উমরপুর গ্রামের আহসান মিয়াসহ দুই গ্রামের কয়েকজনের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয়। একপর্যায়ে গত সোমবার বিকেলে দুই দল গ্রামবাসী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে দুই গ্রামের অর্ধশতাধিক লোক আহত হন। আহতদের জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
সুনামগঞ্জের সহকারী পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আবু সাঈদ বলেন, কোরবানির পশুর মাংস ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে দুই দল গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
