ক্রেডিট গ্যারান্টি স্কিম ইউনিটকে বিভাগে রূপান্তর করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এতদিন এই ইউনিটটি বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস বিভাগের আওতায় ছিল। গত ৪ জুলাই এই ইউনিটকে ‘ক্রেডিট গ্যারান্টি ডিপার্টমেন্ট’ হিসেবে চালুর ঘোষণা দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
করোনা মহামারীর মধ্যে কটেজ, অতিক্ষুদ্র ও ক্ষুদ্র শিল্পের (সিএমএস) ঋণের বিতরণ বাড়াতে ক্রেডিট গ্যারান্টি স্কিম চালু করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই স্কিমের আওতায় জামানতবিহীন ক্ষুদ্র ঋণের বিপরীতে একটি নির্দিষ্ট হারে ফি দিয়ে ব্যাংকগুলো তাদের বিতরণ করা ঋণের ঝুঁকি কমাতে পারছে। এই স্কিমের আওতায় বিতরণ করা ঋণের সর্বোচ্চ ৮০ শতাংশ ভর্তুকি সুবিধার আওতায় থাকবে। জামানতহীন ঋণ আদায় না হলে ক্রেডিট গ্যারান্টি স্কিম থেকে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে লোকসানের সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশ ভর্তুকি দেওয়া হয়। তবে এ ধরনের গ্যারান্টি সুবিধা পেতে প্রতিটি ঋণ পোর্টফোলিওর বিপরীতে ১ শতাংশ হারে গ্যারান্টি ফি দিতে হয়।
গত বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্রেডিট গ্যারান্টি ডিপার্টমেন্ট থেকে সার্কুলার দিয়ে ব্যাংকগুলোকে এ স্কিম সম্পর্কিত তথ্য এখন থেকে সংশ্লিষ্ট বিভাগে পাঠাতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দেয়।
পরিসংখ্যান ঘেঁটে দেখা যায়, ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের মে মাস পর্যন্ত আড়াই বছরে ক্রেডিট গ্যারান্টি স্কিমের আওতায় গ্যারান্টি সুবিধা পেতে ৪১টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে অংশগ্রহণ চুক্তি করেছে।
অংশগ্রহণ চুক্তি করা ২০টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান তাদের সিএমএস প্রতিষ্ঠানের ঋণের বিপরীতে প্রায় ১১০ কোটি টাকার ক্রেডিট গ্যারান্টি সুবিধার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে আবেদন করেছে।
